• ২০২২ অক্টোবর ০৩, সোমবার, ১৪২৯ আশ্বিন ১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:১০ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাচ্ছে মাদক পাচারকারী।

  • প্রকাশিত ১১:১০ পূর্বাহ্ন সোমবার, অক্টোবর ০৩, ২০২২
আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাচ্ছে মাদক পাচারকারী।
ছবি সংগ্রহীত
এ,কে,সুমন- নিজস্ব প্রতিবেদক

শুধু বাহককে গ্রেপ্তারের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে মাদক মামলার তদন্ত। আবার মামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে আলাদা মামলা করার বিধান থাকলেও সেদিকে যাচ্ছে না আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ফলে মাদক পাচারে জড়িত চক্রের মূল হোতারা রয়ে যাচ্ছে ধরা-ছোয়ার বাইরে।

সাত মাসে রাজধানীর ১৮টি থানা ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দায়ের করা ৫৫টি মামলার অগ্রগতি পর্যালোচনায় এসব চিত্র উঠে এসেছে।

গত বছরের ১৪ মার্চ। রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে ২০০ ইয়াবা আর ৫১৫ পুরিয়া হেরোইনসহ গ্রেপ্তার হন জহিরুল ইসলাম নাঈম। গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডেও ছিলেন। এর আগে আরও ২২টি মাদক মামলা ছিল তার বিরুদ্ধে, জেলে আছেন টানা ১৪ মাস।

তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রও দিয়েছে পুলিশ। কিন্তু ২৩ বার মাদকসহ ধরা পড়লেও নাঈম ছাড়া দ্বিতীয় কারো সম্পৃক্ততা খুঁজে বার করতে পারেনি পুলিশ।

এখন প্রশ্ন হল, এই ২৩ বারের মাদকের যোগানদাতা কারা? অভিযোগপত্র তাদের নাম নাই কেন? মানি লন্ডারিং আইনেও বা, মামলা হলো না কেন?

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এ ধরনের ৫৫টি মাদক মামলায় শতাধিক আসামীকে ৬৬দিন রিমান্ডে রেখে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। কিন্তু মাদকে সম্পৃক্ত নতুন কারো নাম বের করা যায়নি। আর তাই মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন অপরাধ বিশ্লেষকেরা

মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণে, শুধু বাহককে আটকই যথেষ্ট নয়, বরং ক্রেতা-বিক্রতাসহ জড়িত গোটা চক্রকে সনাক্ত করে আইন আওতায় আনার উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশ্লেষকেরা।

সর্বশেষ