• ২০২২ Jul ০২, শনিবার, ১৪২৯ আষাঢ় ১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

করোনা নিয়ন্ত্রণ ও টিকায় বাংলাদেশ রোল মডেল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

  • প্রকাশিত ১১:০৭ পূর্বাহ্ন শনিবার, Jul ০২, ২০২২
করোনা নিয়ন্ত্রণ ও টিকায় বাংলাদেশ রোল মডেল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
ছবি সংগ্রহীত
এ,কে,সুমন- নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুচিন্তিত পদক্ষেপের কারণে করোনা নিয়ন্ত্রণ ও টিকা কার্যক্রমে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের রোল মডেল বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। শনিবার সকালে মানিকগঞ্জে টিকার বুস্টার ডোজের বিশেষ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা কার্যক্রম এবং কোভিড নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ রোল মডেল হয়েছে। টিকাদান কার্যক্রম এবং কোভিড নিয়ন্ত্রণে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম স্থান এবং সারা বিশ্বে পঞ্চম স্থান অর্জন করেছে।

সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে করোনার বুস্টার ডোজের সবচেয়ে বড় কর্মসূচি। দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার ৪ মাস পার হলে যে কেউ নিতে পারবেন এই বুস্টার ডোজ।

শনিবার সকালে মানিকগঞ্জের কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে বুস্টার সপ্তাহ উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে কোভিড নিয়ন্ত্রণের কারণে দেশে সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে। দেশে অর্থনীতিসহ চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা আরো ভালো রাখতে চাই।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের লক্ষ্য প্রায় এক কোটি মানুষকে বুস্টার ডোজ দেয়া হবে। ৪ জুন থেকে ১২ জুন পর্যন্ত সারা দেশে ১৬ হাজার ৬৫০টি কেন্দ্রে করোনা টিকার বুস্টার ডোজের বিশেষ কার্যক্রম চলবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই টিকাদান কার্যক্রম এবং কোভিড নিয়ন্ত্রণ সফলতার সঙ্গে চলমান আছে।

তিনি বলেন, করোনার টিকা নেয়ার কারণে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে। বুস্টার ডোজ নেয়ার পর আমরা আরো সুরক্ষিত হবো। যাদের বুস্টার ডোজ নেয়ার সময় হয়েছে তারা দ্রুত বুস্টার ডোজ নিয়ে নিন।

তিনি জানান, ইতিমধ্যে প্রায় ১২ কোটি ৮৭ লাখ মানুষকে প্রথম ডোজ এবং ১১ কোটি ৭৭ লাখ মানুষকে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রায় দেড় কোটি মানুষকে বুস্টার ডোজ দেয়া হয়েছে। আজ ১৬ হাজার ৬৫০টি কেন্দ্রে এই বুস্টার ডোজের বিশেষ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ৮৫ হাজার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা টিকাদান কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।

এদিকে, টিকাদানের প্রথম দিনে সারা দেশের কেন্দ্রগুলোয় ছিল টিকা প্রত্যাশীদের ভিড়।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৪১টি ওয়ার্ডে সকালে বুস্টার ডোজ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতি ওয়ার্ডে দুটি করে বুথে মোট ৩শ ডোজ টিকা দেয়া হয়। প্রথম দিনে স্বাচ্ছন্দে টিকা নিতে পেরে খুশি টিকা প্রত্যাশিরা।

খুলনার ৩৭০টি টিকা কেন্দ্রে শুরু হয় বুস্টার ডোজ প্রদান। নির্বিঘ্নে বুস্টার ডোজের টিকা নিতে পেরে সন্তোষ জানিয়েছেন সবাই। সিলেটে প্রাথমিক পর্যায়ে ২৭টি ওয়ার্ডের ৪২টি কেন্দ্রে শুরু হয়েছে টিকা কার্যক্রম। প্রয়োজনে কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো, জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর বগুড়ার বিভিন্ন কেন্দ্রে শুরু হয় করোনার বুস্টার টিকা দেয়া। জনগণের মাঝে বুস্টার ডোজ নেয়ার আগ্রহ বাড়াতে ময়মনসিংহে চলছে প্রচার-প্রচারণা।

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের দপ্তরসহ নগরীর ৬০টি পয়েন্টের টিকা কেন্দ্রে দেয়া হচ্ছে টিকার বুস্টার ডোজ। এছাড়া, টাঙ্গাইল, লক্ষ্মীপুর, নড়াইল, নাটোর মেহেরপুরসহ দেশের সব জেলায় চলছে বুস্টার ডোজের টিকাদান।

সর্বশেষ