• ২০২২ Jul ০২, শনিবার, ১৪২৯ আষাঢ় ১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

পিআইও অফিসের ওমেগার ও তার স্ত্রী সরকারি স্কুল শিক্ষিকার বাড়িতে ত্রাণের ঢেউটিন।

  • প্রকাশিত ১১:০৭ পূর্বাহ্ন শনিবার, Jul ০২, ২০২২
পিআইও অফিসের ওমেগার ও তার স্ত্রী সরকারি স্কুল শিক্ষিকার বাড়িতে ত্রাণের ঢেউটিন।
টাইমবাংলা নিউজ
আঃ রাজ্জাক, জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে পিআইও অফিসের ওমেগার ও আয়মাপুর সরকারি প্রাথমিক স্কুল
শিক্ষিকা দম্পতির বাড়িতে ত্রাণের টিন।

উপজেলার মিনিগাড়ী গ্রামের মোকসেদ আলী ও তার
স্ত্রী ফরিদা খাতুনের বাড়িতে প্রায় ৪ ব্যান্ডিল ত্রাণের ঢেউটিন দিয়ে ঘরের ছাউনি ও
সিমানা প্রাচীর দেওয়া হয়েছে।

ক্ষেতলাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বলছেন
মোকসেদ আলীর নামে চলতি অর্থ বছরে কোন ঢেউটিন দেওয়া হয়নি। মোকসেদ পিআইও
অফিসের বিল ভাউচারের কাজে নিয়োজিত আছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের মিনিগাড়ী গ্রামের
মোকসেদ আলী প্রায় ২৬ বছর থেকে ক্ষেতলাল পিআইও অফিসে কর্মরত আছে। তার স্ত্রী ফরিদা
খাতুন একই উপজেলার আয়মাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষিকা হিসেবে
কর্মরত আছেন।
পিআইও অফিসে কর্মরত থাকাবস্থায় সম্প্রতি মোকসেদ আলী ত্রাণের সরকারি (বিক্রির জন্য
নয়) নতুন ঢেউটিন দিয়ে তার ঘরের ছাউনি ও বাড়ির সিমানা প্রাচির নির্মান করেছেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়।
এলাকাবাসির অভিযোগ, অনেক হত দরিদ্র মানুষ যারা এসব ত্রাণ পাওয়ার যোগ্য তারা পায়নি
অথচ পিআইও অফিসে কাজ করার সুবাদে কর্তাদের যোগসাজস ও স্বজনপ্রিতিতে টিন
পেল মোকসেদ। অথচ তার বৌ করে সরকারি স্কুলে চাকুরী। আর আমরা যারা ক্ষতিগ্রস্থ দুস্থ্য ও
হতদরিদ্র মানুষেরা দ্বারে দ্বারে ধরনা দিয়েও এসব পাইনা।
তবে কিছু ত্রাণের টিন লাগানোর কথা স্বিকার করে মোকসেদ বলেন, আমি পিআইও
অফিসে ওমেগার হিসেবে মাষ্টাররোল বিল ভাউচারের কাজ সমন্বয় করি।

মোকসেদের স্ত্রী ফরিদা খাতুন বলেন, আমি প্রাইমারি স্কুলে চাকুরী করি। ঝরে আমার ঘড়ের

টিন উরে গেলে আমাকে টিন অনুদান দেওয়া হয়।
অপরদিকে মোকসেদের ছেলে পিয়াদ নাসের বলেন, আমার আব্বু পিআইও অফিসে চাকুরী
করে। টিনগুলো সহায়তা পেয়েছে।
ক্ষেতলাল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রুহুল আমিন পাপন বলেন, মোকসেদের
নামে ২০২০-২১ ইং অর্থ বছরে কোন টিন বরাদ্দ হয়নি। সে যদি কোন অপরাধ করে থাকে
তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, মোকসেদ পিআইও অফিসের
কোন কর্মচারি নয়। সে আমার অফিসের বিল ভাউচারর কাজ করে।
এ ব্যাপারে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক শরীফুল ইসলাম বলেন, ২০২০ সালে আম্পানের সময় এই
ঢেউটিন গুলো দেওয়া হয়েছে কিনা সেটা তদন্তের জন্য ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার
কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ