• ২০২১ মে ১৬, রবিবার, ১৪২৮ জ্যৈষ্ঠ ২
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০৫ অপরাহ্ন
English

কুড়িগ্রামে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং সেই বালু দিয়ে হচ্ছে সোনাহাট নতুন সেতু রক্ষা বাঁধ নির্মাণ।

  • প্রকাশিত ০২:০৫ অপরাহ্ন রবিবার, মে ১৬, ২০২১
কুড়িগ্রামে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং সেই বালু দিয়ে হচ্ছে সোনাহাট নতুন সেতু রক্ষা বাঁধ নির্মাণ।

আব্দুল কাদের, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এবং সেই বালু দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে সোনাহাট নতুন সেতু রক্ষা বাঁধ। বাঁধ থেকে মাত্র ১শ’ গজ দূরে পুরাতর সেতুর পিলারের পাশ থেকে বালু উত্তোলন করায় হুমকির মুখে পড়েছে সোনাহাট রেলওয়ে পুরাতন সেতুটি।

জানা যায়,দুধকুমোর নদীর ওপর প্রায় দেড়শ বছরের পুরানো সোনাহাট রেলসেতুর দক্ষিণে প্রায় ২৩২কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৪৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ১৩টি পিলার সম্বলিত সোনাহাট নতুন সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু মাটির স্তরের সমস্যার কারণে দীর্ঘ ১৭ মাস থেকে  সেতুর কাজ বন্ধ রয়েছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন সেতুর উভয় দিকে ৮১৪ মিটার সেতু রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করছে দুটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে সেতুর পশ্চিম তীরে ৩১৪ মিটার বাঁধ নির্মাণ করছে এম এ এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য বাঁধের টপ-৬ মিটার,স্লোপ-২০ মিটার এবং লাঞ্চিং এপ্রোন-২৮ মিটারের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৯ কোটি ৩৯ লাখ ৯৩ হাজার ৮৩১ টাকা। 

সরেজমিনে দেখা যায়,ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এমএ এন্টারপ্রাইজ সেতু রক্ষা বাঁধ থেকে মাত্র ১শ গজ দূর থেকে সোনাহাট রেলসেতুর(পুরাতন) পিলারের নিকট হতে  অবৈধভাবে দুইটি ড্রেজার বসিয়ে বালু তুলে সেই বালু দিয়ে সেতু রক্ষা বাঁধের মাটির কাজ করছে। 

এব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্ব প্রাপ্ত এসও মোস্তাফিজুর রহমান সুজন জানান, তিনি ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করতে নিষেধ করেছেন এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছেও না। কে বা কারা ড্রেজার দিয়ে বালু তুলে বাঁধে ফেলছে তা আমার জানা নেই। 

 ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প ম্যানেজার ফজলুল হক জানান, তার সাইটে কোন বালু ফেলা হচ্ছে না। স্থানীয় লোকজন বিক্রির উদ্দেশ্যে বালু উত্তোলন করছে। 

বালু উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত ড্রেজার মালিক গোলাপ মিয়া জানান, স্থানীয় সাব ঠিকাদার

শাহজাহান সোহাগের নির্দেশে তিনি বালু উত্তোলন করছেন। এব্যাপারে শাহজাহান সোহাগের সাথে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি (তদন্ত) জাহেদুল ইসলাম জানান, আমরা খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

 উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন,  আমরা বিষয়টির খোঁজ খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

সর্বশেষ