• ২০২২ ডিসেম্বর ০১, বৃহস্পতিবার, ১৪২৯ অগ্রহায়ণ ১৭
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:১২ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

ক্যান্সার সচেতনতায় ক্যাপ ইবি শাখার উঠান বৈঠক

  • প্রকাশিত ০৭:১২ অপরাহ্ন বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ০১, ২০২২
ক্যান্সার সচেতনতায় ক্যাপ ইবি শাখার উঠান বৈঠক
টাইমবাংলা নিউজ
মোঃ আবির হোসেন( ইবি),প্রতিনিধিঃ-

যদি ক্ষতির কারণ লজ্জা হয়, তাহলে আর লজ্জা নয়’ স্লোগানকে সামনে রেখে ক্যান্সার এ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম ফর উইমেন (ক্যাপ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা উঠান বৈঠক করেছে। শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ক্যাপের মাসিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া জেলার সদর উপজেলার আবদালপুর ইউনিয়নের সুগ্রীবপুর গ্রামে সদস্য ফারুক হোসেনের বাসায় এটি অনুষ্ঠিত হয়। 

ক্যান্সার সচেতনতা বিষয়ক এ বৈঠকে ক্যাপ ইবি শাখার সভাপতি সিয়াম মির্জার সভাপতিত্বে  উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজনীন সুলতানা মেঘ সহ সাধারণ সদস্যবৃন্দ। বৈঠকে জান্নাতুল ফেরদৌস প্রীতির সঞ্চালনায় প্রথমেই স্তন ক্যান্সার নিয়ে বক্তব্য রাখেন নাজনীন সুলতানা মেঘ ও জরায়ু মুখ ক্যান্সার নিয়ে আলোচনা করেন সুমাইয়া কলি। 

পরে প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনা করেন নাজনীন সুলতানা মেঘ এবং উপস্থিত মা-বোনদের তথ্য সংগ্রহ করেন রুনা খাতুন। বৈঠক শেষে কয়েকজন মা তাদের সমস্যার কথা জানালে তারা তাদের যথাযথ দিকনির্দেশনা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। 

বৈঠকে সাধারণ সম্পাদক মরিয়ম নেসা মীম বলেন, ‘ক্যাপ মায়েদের সচেতন করার লক্ষ্য নিয়ে যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে, তার অংশ হিসেবে আজকের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা স্বপ্ন দেখি, একদিন বাংলাদেশের প্রতিটি মা ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন হবে। আর কেউ ঘাতক ব্যাধির শিকার হয়ে অসচেতনতায় প্রাণ হারাবেনা।

কোষাধ্যক্ষ ফারুক আহমেদ বলেন, ‘ক্যান্সারের ভয়াবহতা থেকে মুক্তির জন্য প্রত্যন্ত গ্রাম-এলাকায় ক্যান্সার বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত উঠান বৈঠক করে যাচ্ছে ক্যাপ। বাংলাদেশের প্রতিটি মাকে ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন না করা পর্যন্ত আমরা আমাদের উঠান বৈঠক কার্যকম চালিয়ে যাবো।

উল্লেখ্য, ‘পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মত বর্তমানে বাংলাদেশের নারীরাও সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যান্সারে। বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, আমাদের দেশে প্রতি বছর স্তন ক্যান্সার ও জরায়ু মুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে প্রায় ২২ হাজার নারী। জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট এর তথ্য মতে, আমাদের দেশে নারীদের বেশির ভাগ ক্যান্সার চিহ্নিত হচ্ছে অনেক দেরিতে অর্থাৎ এডভান্স স্টেজে। আর এর বড় কারণ হলো সচেতনতার অভাব।

সর্বশেষ