• ২০২৩ জানুয়ারী ৩১, মঙ্গলবার, ১৪২৯ মাঘ ১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০১ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ঐক্যের আহ্বান ঋষি সুনাকের

  • প্রকাশিত ১০:০১ অপরাহ্ন মঙ্গলবার, জানুয়ারী ৩১, ২০২৩
অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ঐক্যের আহ্বান ঋষি সুনাকের
ছবি সংগ্রহীত
এ,কে,সুমন- নিজস্ব প্রতিবেদক

যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় ঐক্যের ডাক দিলেন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান ও পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। একইসাথে আগাম নির্বাচনের দাবিও নাকচ করেছেন তিনি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ের পর সোমবার এসব কথা বলেন সুনাক।

ডাউনিং স্ট্রিট জানায়, মঙ্গলবার রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। এরপর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাবেন ঋষি সুনাক।

যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক সংকট সামলাতে ব্যর্থতার দায়ে ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের প্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য হন লিজ ট্রাস। এরপর থেকেই তার উত্তরাধিকারী খুঁজতে শুরু হয় প্রক্রিয়া। শর্ত ছিল, প্রধানমন্ত্রী হতে হলে প্রার্থীকে অন্তত ১শ টোরি এমপির সমর্থন পেতে হবে।

সময় যতই ঘনিয়ে আসে, বেশিরভাগ এমপির সমর্থন যায় সাবেক অর্থমন্ত্রী ঋষি সুনাকের পক্ষে। কম সমর্থন পাওয়ায় প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। আর প্রার্থিতা ঘোষণা করেও সুনাকের সমর্থনে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেন হাউজ অব কমন্সের নেতা পেনি মরডন্টও।

ফলে সোমবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ক্ষমতাসীন দলের প্রধান নির্বাচিত হন ঋষি সুনাক। নিশ্চিত হয় প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভুত হিসাবে সুনাকের যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হওয়া।

মাত্র দুই মাসের মধ্যে যুক্তরাজ্যের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন সুনাক। এ ছাড়া ১৮১২ সালের পর সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী তিনি।

নেতা নির্বাচিত হয়ে দলের কার্যালয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সুনাক। আগাম নির্বাচনের দাবি নাকচের পাশাপাশি দলের সবার প্রতি ঐক্যের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য একটি মহান দেশ। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আমরা গভীর অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। আমাদের এখন স্থিতিশীলতা ও ঐক্য প্রয়োজন। দল ও দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব। এটিই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার একমাত্র উপায়।

তবে, ঋষি সুনাক নাকচ করলেও আবারও আগাম নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন লেবার পার্টিসহ বিরোধী দলগুলো এবং স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার নিকোলা স্টারজেওন।

সর্বশেষ