• ২০২১ মে ১৬, রবিবার, ১৪২৮ জ্যৈষ্ঠ ২
  • সর্বশেষ আপডেট : ০২:০৫ অপরাহ্ন
English

গুলশানে বিলাশবহুল একটা ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর লাশ উদ্ধার বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির নামে মামলা

  • প্রকাশিত ০৩:০৫ অপরাহ্ন রবিবার, মে ১৬, ২০২১
গুলশানে বিলাশবহুল একটা ফ্ল্যাট থেকে  তরুণীর লাশ উদ্ধার বসুন্ধরা গ্রুপের এমডির নামে  মামলা

বিশেষ সংবাদদাতাঃ রাজধানীর গুলশানে বিলাশবহুল একটা ফ্ল্যাট থেকে এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই তরুণীর নাম মোসারাত জাহান মুনিয়া (২১)। ময়নাতদেন্তর জন্য পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, মুনিয়া মিরপুরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী ছিল। 

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেন, মেয়েটি কেন আত্মহত্যা করেছে এবং এর পেছনে কারো ইন্ধন রয়েছে কি না তা আমরা খতিয়ে দেখছি। ওই বাসা থেকে কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। ওই বাসায় কার যাতায়াত ছিল তা জানার চেষ্টা চলছে।


পুলিশ জানায়, গুলশান দুই নম্বর এভিনিউয়ের ১২০ নম্বর সড়েকর ১৯ নম্বর প্লটের বি/৩ ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন মুনিয়া। চলতি বছরের মার্চ মাসে এক লাখ টাকা মাসিক ভাড়ায় তিনি ওই ফ্ল্যাটে ওঠেন। সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ওই বাসা থেকে মুনিয়ার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে।


এই ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলা ( নং ২৭) হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তা সুদীপ কুমার চক্রবর্তী। তিনি জানান, ওই বাসার সিসিটিভি জব্দ করা হয়েছে। উপকমিশনার সুদীপ বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে মোসারাত জাহানের পরিচয় ছিল। তিনি ওই ফ্ল্যাটে যাতায়াত করতেন বলেও তথ্য পেয়েছেন তাঁরা।


পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, মোসারাত জাহান রোববার তাঁর বড় বোনকে ফোন করে বলেন, তিনি ঝামেলায় পড়েছেন। এ কথা শুনে তাঁর বড় বোন সোমবার কুমিল্লা থেকে ঢাকায় আসেন। সন্ধ্যার দিকে ওই ফ্ল্যাটে যান তিনি। দরজায় ধাক্কাধাক্কি করলেও বোন দরজা খুলছিলেন না। এরও কিছুক্ষণ আগে থেকে বোনের ফোন বন্ধ পাচ্ছিলেন। পরে বাইরে থেকে ‘লক’ খুলে ঘরে ঢুকে বোনকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন। পরে তিনি বাড়িওয়ালাকে বিষয়টি জানান।

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী প্রথম আলোকে জানান, মোসারাত জাহানের বাড়ি কুমিল্লা শহরে। তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুর রহমান। মেয়েটির পরিবার কুমিল্লায় থাকে। এখানে ওই ফ্ল্যাটে তিনি একাই থাকতেন।


শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গুলশান থানার পুলিশ মোসারাতের লাশের সুরতহাল করছিল। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং মোসারাতের ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইসগুলো জব্দ করেছে। আপাতত এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হবে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।



সর্বশেষ