• ২০২১ Jul ২৫, রবিবার, ১৪২৮ শ্রাবণ ৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

দুই বাংলাদেশীকে আটকে রেখেছে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা

  • প্রকাশিত ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন রবিবার, Jul ২৫, ২০২১
দুই বাংলাদেশীকে আটকে রেখেছে সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা
ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সীমান্তের জিরো পয়েন্টে অবস্থিত তুমব্রু কোনারপাড়া রোহিঙ্গা বস্তিতে আশ্রিত আরাকান বিদ্রোহী গ্রুপের ক্যাডারদের ২০টি অবৈধ গরু জব্দকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কান্ড ঘটেছে। বিজিবি গরুর চালান জব্দের ঘটনায় স্থানীয় দুই বাসিন্দাকে বেঁধে রেখেছে আলইয়াকিন গ্রুপের ক্যাডাররা।

করিডোর বাদ দিয়ে রাজস্ব বিহীন মিয়ানমার থেকে গরুর চালান আসছে খবর পেয়ে তুমব্রু ফাঁড়ির বজিবি জওয়ানরা গরুগুলো জব্দ করেছে। গরু চোরাকারবারি ও বিস্তারিত খবর জানতে বিজিবির পক্ষে স্থানীয় দুই বাসিন্দা ওই রোহিঙ্গা বস্তিতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাদের আটকে রেখেছে। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দলনেতা মৌলবি আরেফ আহমদ ও দিল মোহাম্মদের বাহিনীর ক্যাডাররা তুমব্রু এলাকার ছৈয়দ নুর ওরফে লাদেন ও মনির আহমদ নামে দুই জন বাংলাদেশী নাগরিককে আটকে রাখার ঘটনায় তাদের পরিবারে কান্নার রোল বইছে। শনিবার ভোরে পার্বত্য নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মিয়ানমার অভ্যন্তরে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কতিপয় সন্ত্রাসী রোহিঙ্গা অবৈধভাবে গরুর একাধিক চালান প্রবেশ করিয়েছে বাংলাদেশে। সীমান্তরক্ষী বিজিবি খবর পেয়ে সোর্স নিয়োজিত রাখে এবং শনিবার ভোরে ২০টি মিয়ানমারের গরু জব্দ করতে সক্ষম হয়েছে। গরু জব্দের খবর পেয়ে মিয়ানমারের জিরো পয়েন্টে থাকা সন্ত্রাসী রোহিঙ্গারা ওই ক্যাম্পে বিজিবির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে। বিজিবি জওয়ানরা ওই রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে জব্দকৃত গরুর বৈধ কাগজপত্র চাইলে রোহিঙ্গারা বৈধ কাগ বা রাজস্ব প্রদানের কোন ধরণের ডকুমেন্ট জমা করতে পারেনি। শনিবার দুপুরে তুমব্রুতে অনুষ্টিত ওই বৈঠক শেষে আরাকান বিদ্রোহী গ্রুপের দলপতি আরেফ আহমদ ও দিল মোহাম্মদ জানিয়েছে, গরু ছাড়লে আটক বাংলাদেশী দুই নাগরিককে ছেড়ে দেয়া হবে।

স্থানীয়রা বলেন, মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের গত চার বছরের কাছাকাছি সময় ধরে বাংলাদেশ থেকে ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়ে এনজিও কর্মীরা বড় ধরণের ভুল করেছে। তারা যখন মিয়ানমার অভ্যন্তরে বাস করছে, মিয়ানমার সরকারই তাদের দায় দায়িত্ব নেয়ার কথা। তবে ইচ্ছে করে কিছু এনজিও মিয়ানমারে খাদ্য সামগ্রী (ত্রাণ) পাচার করে পাঠিয়েছে ওই ক্যাম্পে। এতে মিয়ানমারে বসবাস করেও বাংলাদেশ থেকে ফ্রিতে সবকিছু পাওয়ায় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশী নাগরিকদের আটকে রাখতে এবং বিজিবি জওয়ানদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করতেও তোয়াক্কা করছেনা।

সর্বশেষ