• ২০২৬ এপ্রিল ২৩, বৃহস্পতিবার, ১৪৩৩ বৈশাখ ১০
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:০৪ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দুই দলের প্রধানই সম্মতি দিয়েছিলেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • প্রকাশিত ১০:০৪ অপরাহ্ন বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৬
বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দুই দলের প্রধানই সম্মতি দিয়েছিলেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ছবি
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, "ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ আমাদের প্রধান দু'টি দলের প্রধানের সাথে নির্বাচনের আগেই কথা বলেছে এবং তারা এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। সুতরাং, এমন না যে এইটা আমরা অন্ধকারে করেছি"।

আজ বুধবার চৌঠা মার্চ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, "আরেকটি জিনিস মনে রাখবেন, এতে (মার্কিন চুক্তিতে) একটি এন্ট্রি ক্লজ ও এক্সিট ক্লজ আছে। এন্ট্রি ক্লজ হচ্ছে, নোটিফিকেশন না হলে এটা কার্যকর হবে না। এখনো নোটিফিকেশনে যায়নি। সরকার ইচ্ছে করলে রিভিউ করতে পারে। আর এক্সিট ক্লজ হচ্ছে, আপনি ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারেন। এমন না যে আমরা একটা বন্ধ ঘরে বাংলাদেশকে ঠেলে দিয়েছি।" 

মার্কিন চুক্তিটি পাঠে বাংলাদেশে একটি 'বিভ্রান্তি' আছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "শুধুমাত্র বাংলাদেশের সাথে এগ্রিমেন্টটা দেখলে চলবে না। পাশাপাশি দেখবেন যে ভিয়েতনাম, ক্যাম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ অন্যান্য দেশগুলো কী কী দিয়েছে, কী কী পেয়েছে। এটা কম্পেয়ার করলে দেখবেন, মোটামুটি ইউনিফর্ম ল্যাঙ্গুয়েজ সব জায়গায়"।

সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন যে বাংলাদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মাঝখানে পড়েনি। 

"প্রথমে একেবারেই শুরুতে যখন এই ডিলটা হলো, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম তাদের কাছে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে আমরা কথা বলি। এই রেসিপ্রোকাল টারিফ আরোপ করা হয় সম্ভবত এপ্রিল মাসে এবং তারপর থেকে এই আলোচনা শুরু হয়। এপ্রিল থেকে জুলাই টানা আলোচনা চলে। শুধু আমাদের না, আরও অনেক দেশের সাথে রেসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ নিয়ে আলোচনা হয় এবং সেই আলোচনার পরে কিন্তু আমরা ২০ শতাংশ পেয়েছিলাম।"

সেইসময় দু'ট বিষয় ছাড়া "মোটামুটিভাবে চুক্তিটা হয়ে গেছিলো" উল্লেখ করে তিনি যোগ করেন, "এক, আমরা তাদেরকে বলেছিলাম যে আমেরিকান কটন বা ম্যানমেড ফাইবার দিয়ে তৈরি যে পোশাক আমরা তাদের কাছে পাঠাবো, সেখানে আমরা জিরো রেসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ চাই। সেটা করতে তাদের সময় লেগেছে, তবে এটা কিন্তু আমাদের স্বার্থে"। 

"আর দ্বিতীয়টা হলো, রুলস অব অরিজিন। তাতেও তারা সময় নিয়েছে। অ্যাগ্রিমেন্ট আমরা করে রেখেছিলাম ৩১শে জুলাই। এক তারিখে আমরা ২০ শতাংশ পেয়েছি। সুতরাং, এটা যে চট করে নির্বাচনের তিন দিন আগে করা হয়েছে সেটা ঠিক নয়"।

এসময় মন্ত্রী আরও বলেন যে বর্তমান সরকারের "সবার আগে বাংলাদেশ" মন্ত্রের সাথে এই চুক্তিটি সাংঘর্ষিক না।

সর্বশেষ