• ২০২৬ Jul ২৮, মঙ্গলবার, ১৪৩৩ শ্রাবণ ১২
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

একটি চলচ্চিত্র শুধু বিনোদন নয়, সমাজ তথা মানুষের জন্য বিড়াট শিক্ষা।

  • প্রকাশিত ১২:০৭ পূর্বাহ্ন মঙ্গলবার, Jul ২৮, ২০২৬
একটি চলচ্চিত্র শুধু বিনোদন নয়, সমাজ তথা মানুষের জন্য বিড়াট শিক্ষা।
file
হাসিনুর রহমান হাসু। টাইম বাংলা নিউজ ডেস্ক।

একটি চলচ্চিত্র শুধু বিনোদন নয়, সমাজ তথা মানুষের জন্য বিড়াট শিক্ষা।

প্রতিবেদক: হাসিনুর রহমান হাসু। 

বর্তমান সমাজে চলচ্চিত্র শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি মানুষের চিন্তা-চেতনা ও মূল্যবোধ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি সিনেমায় সাধারণত দুটি দিক স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে—একটি ভালো এবং অন্যটি খারাপ। এই দুই বিপরীত ধারার মধ্য দিয়েই নির্মিত হয় গল্পের মূল স্রোত।

চলচ্চিত্রের খারাপ দিকটিতে ভিলেন তার কুটকৌশল, ষড়যন্ত্র এবং অন্যায়ের মাধ্যমে পুরো কাহিনিতে আধিপত্য বিস্তার করে। সে দেখায় কীভাবে প্রতারণা, লোভ ও স্বার্থপরতার মাধ্যমে একটি পরিবার বা সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া যায়। অন্যদিকে, ভালো চরিত্রগুলো নানা প্রতিকূলতা ও কষ্ট সহ্য করেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যায় এবং ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেয়।

তবে প্রতিটি গল্পের শেষেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা থাকে—সত্য ও ন্যায়ের জয় অবশ্যম্ভাবী। ভিলেন যতই শক্তিশালী হোক না কেন, তার পতন একসময় নিশ্চিত হয়। আর যারা অন্যায়ের শিকার, তারাই শেষ পর্যন্ত বিজয়ের মুখ দেখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুঃখজনকভাবে সমাজের কিছু মানুষ চলচ্চিত্রের সাময়িক ভিলেনের ক্ষমতা ও প্রভাব দেখে প্রভাবিত হয়ে ভুল পথে পরিচালিত হচ্ছে। তারা ভুলে যায় যে, সিনেমার মূল শিক্ষা হলো অন্যায়ের পরিণতি এবং ন্যায়ের বিজয়।

তাই সচেতন মহল মনে করে, চলচ্চিত্র থেকে আমাদের ইতিবাচক শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত। একটি চলচ্চিত্রের উদ্দেশ্য মানুষকে সঠিক পথের দিশা দেওয়া—অন্যায়কে নয়, ন্যায়কে বেছে নিতে উদ্বুদ্ধ করা।

পরিশেষে বলা যায়, সমাজে শান্তি, ন্যায় এবং মানবিকতা প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সকলেরই ভিলেনের পথ পরিহার করে নায়কের পথ অনুসরণ করা জরুরি।


সর্বশেষ