• ২০২৬ এপ্রিল ১৬, বৃহস্পতিবার, ১৪৩৩ বৈশাখ ৩
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:০৪ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

টাঙ্গাইল সদরে প্রধানমন্ত্রীর কৃষক কার্ড বিতরণে উচ্ছ্বসিত কৃষকরা।

  • প্রকাশিত ০৯:০৪ অপরাহ্ন বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬
টাঙ্গাইল সদরে প্রধানমন্ত্রীর কৃষক কার্ড বিতরণে উচ্ছ্বসিত কৃষকরা।
file
হাসিনুর রহমান হাসু। জেলা প্রতিনিধি, টাংগাইল।

টাঙ্গাইল সদরে কৃষক কার্ড বিতরণে উচ্ছ্বসিত কৃষকরা।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ গ্রামের কৃষাণী নাসিমা খানম সুমনা দীর্ঘদিন ধরে কৃষি কার্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কখনও কোনো সুযোগ-সুবিধা পাননি। তবে এবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর হাত থেকে কৃষক কার্ড পেয়ে তিনি ভীষণ আনন্দিত।

নাসিমা খানম সুমনা জানান, বিএনপি সরকারের প্রতি শুরু থেকেই তাদের আস্থা ছিল। তবে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে কৃষক কার্ড পাবেন, তা কখনও কল্পনাও করেননি। তিনি বলেন, এই কার্ড পেয়ে তিনি অত্যন্ত খুশি এবং প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

শুধু নাসিমা নন, ঘারিন্দা ইউনিয়নের মোট ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ড পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন। সরকারের প্রি-পাইলটিং প্রকল্পের আওতায় এই কৃষক কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকরা অন্তত ১০ ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে—ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ ও সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষিযন্ত্র প্রাপ্তি, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইলের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, রোগ-বালাই দমন পরামর্শ, কৃষি বিমা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয়ের সুযোগ।

অপর কৃষক মোহাম্মদ আবু কায়সার বলেন, আগে জিয়াউর রহমান খাল খননের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করেছিলেন, আর বর্তমানে তারেক রহমান কৃষক কার্ড দিয়ে কৃষকদের মন জয় করছেন। তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং এই কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন সুবিধা পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কৃষাণী আমেনা বেগম বলেন, এই কার্ড পাওয়ায় কৃষিকাজ এখন অনেক সহজ হবে এবং তাদের ভোগান্তি কমবে।

এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানান, কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম তিন ধাপে বাস্তবায়িত হবে—প্রাক-পাইলটিং, পাইলটিং এবং দেশব্যাপী সম্প্রসারণ। প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ফসল উৎপাদনকারী কৃষকদের পাশাপাশি মৎস্যচাষি, প্রাণিসম্পদ খামারি, দগ্ধ খামারি এবং ভূমিহীন থেকে বড় কৃষক পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রয়োজনে লবণচাষীরাও এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন বলে তিনি জানান।

সার্বিকভাবে, কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমকে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


সর্বশেষ