• ২০২৬ এপ্রিল ২৫, শনিবার, ১৪৩৩ বৈশাখ ১২
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:০৪ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

উখিয়া সাব্বির এবং আবুল কালামের নেতৃত্বে চলছে পাহাড় কাটা, মামলার প্রস্তুতি নিয়েছে বন-বিভাগ

  • প্রকাশিত ০৮:০৪ অপরাহ্ন শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬
উখিয়া সাব্বির এবং আবুল কালামের নেতৃত্বে  চলছে পাহাড় কাটা, মামলার প্রস্তুতি নিয়েছে বন-বিভাগ
File
মতিউল ইসলাম (কক্সবাজার)

উখিয়া সাব্বির এবং আবুল কালামের নেতৃত্বে  চলছে পাহাড় কাটা, মামলার প্রস্তুতি নিয়েছে বন-বিভাগ 

"বেশি বেশি গাছ লাগান, এবং পরিবেশ বাঁচান"সেই স্লোগান এখন বিলুপ্তের পথে। আবাসস্থল হারাচ্ছে বন্যপ্রাণীরা।

 এমন এক চিত্র দেখা গেছে, কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের   আওতাধীন উখিয়া রেঞ্জের  সদর বিট হাজীপাড়া ৬ নং ওয়ার্ডে।

উক্ত এলাকার মৃত: বদিউর   রহমানের পুত্র- মোঃ সাব্বির এবং মোহাম্মদ আবুল কালামের নেতৃত্বে চলছে বিশাল পাহাড় কাটা।বন বিভাগের জমি দখলে নিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বহুতল ভবন।

 রহস্যজনক কারণে নীরব ভূমিকায় বিট কর্মকর্তারা। 

বিট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ আছে, তাদের মোটা অংকের টাকা দিলে বন বিভাগের জায়গা দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণ করা অসম্ভব কিছু নয়। 

এভাবে চলতে থাকলে কক্সবাজারের একটি পাহাড়ও বন থাকবে না, যার ফলে প্রতিনিয়ত জেলার কোন না কোন জায়গায় ধ্বংস হচ্ছে পাহাড় ও পরিবেশ।

আবাসস্থর থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন নিরহ বন্যপ্রাণী। এসব দেখেও না দেখার ভান করছে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

 মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বরত বিট কর্মকর্তা এবং এফ,জি সদস্যরা গাছ এর গাড়ি, বাঁশের গাড়ি,অবৈধ সমিল,পাহাড় কাটা,বনের জায়গায় ঘর নির্মাণ,ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালি উত্তোলন থেকে, মাসিক মাসোয়ারা নিতে ব্যস্ত দেখা গেছে।

অন্যদিকে অপরাধীরা আরও বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে, দিন দিন বাড়ছে অপরাধের সংখ্যা।

 যার ফলে বন বিভাগের বিভাগীয় বন- কর্মকর্তারা জনমনের প্রশ্ন সম্মুখীন হচ্ছেন প্রতিনিয়ত। 

এই বিষয়ে বিট কর্মকর্তা এমদাদ রনির বক্তব্য নেওয়া হলে তিনি বলেন,এই বিটের দায়িত্বে আমি নেই। এই বিষয়ে মোঃ মন্নানের বক্তব্য নেওয়া হলে তিনি বলেন, গত পাঁচ মাস ধরে সদর বিটের দায়িত্বে আমি নেই।

এখানে সচেতন মহলের প্রশ্ন?আসলে এই বন-বিটের দায়িত্বে কে? 

অপরাধী কে?এইসব অপরাধ এড়াতে ভিন্ন কোন কৌশল অবলম্বন করছেন। 

এই বিষয়ে উখিয়া রেঞ্জের দায়িত্বে থাকা ট্রেনিং পিরিয়ডের  এসি এফ  মোঃ শাহিনুরের বক্তব্য নেওয়া হলে তিনি বলেন,আমি পাহাড়ের এই স্পটটি পরিদর্শন করেছি, তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছি।

এই বিষয়ে দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (DFO) আব্দুল্লাহ - আল মামুন এর বক্তব্য নেওয়া হলে,তিনি বলেন,অপরাধীদের বিরুদ্ধে অতি শীঘ্রই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে,অপরাধীদেরকে কোনভাবে আশ্রয়- প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুতি চলমান।

সর্বশেষ