গাজীপুরের কালীগঞ্জের নাওয়ান এলাকায় জমি সক্রান্ত বিষয়ে হৃদয়দের পরিবারের সাথে প্রতিবেশী মুনসুর আলীর বিরোধ চলছিল।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মো.আহমদুল কবির খান নাঈম ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের কতিপয় সাঙ্গ-পাঙ্গদের নিয়ে হৃদয়দের জমি জবর-দখল করে নিতে হত্যাসহ নানা ধরনের
হুংকার দিচ্ছে বলে বক্তারপুর
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আহমদুল কবির নাঈমের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
যাহা নাঈম ও হৃদয়ের মাঝে মোবাইল ফোনের কল রেকর্ডে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
শুধু তাই নয় ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর বেরুয়া গ্রামের হোসেন আলী আলী, নাওয়ান এলাকার মুনসুর আলী, সোলায়মান ও ফুলদী গ্রামের মো. শরীফসহ তাদের সহযোগী ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে গত ১০ফেব্রুয়ারি হৃদয়দের জমি দখলের অপচেষ্টা চালায়।
তাতে ব্যর্থ হয়ে কৌশলে নন জুডিশিয়াল ৪টি সাদা স্ট্যাম্পে হৃদয় ও তার মামা,খালার স্বাক্ষর নেয়ার ও অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।
পরবর্তীতে কোনো উপায়ন্ত না পেয়ে ট্ম্যাম্প উদ্ধারের জন্য শান্তা বেগম বাদী হয়ে ১০ ফেব্রুয়ারী রাতে কালীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে থানায় অভিযোগ দিলেও ১২ ফেব্রুয়ারী মুনসুর আলী লোকজন নিয়ে জোর পূর্বক হৃদয় গংদের জমিতে বাউন্ডারি করছিল। এ সময় হৃদয় তার মুঠোফোন থেকে হোসেন আলীর মুঠোফোনে কল করে ঘটনার বিষয় বললে হোসেনে আলীর নিকট থেকে ফোন নিয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাঈম
অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করে বলে
এ বিষয় নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করবি না (শুয়রের বাচ্চা, মাদার চোদ) মানুষ চিনস। তোকে একদম মেরে ফেলবো। তোর পোল্ট্রি ফার্ম ভাঙ্গে উচ্ছেদ করে দিমু।
বিএনপির নেতার এমন হুমকিতে ভুক্তভুগী পরিবার আতঙ্কে মানবেত জীবনযাপন করছে বলে জানিয়েছেন।
এ ছাড়াও হৃদয় গংদের পারিবারিক জমি থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি দেয় নাঈম।
এ ঘটনায় ইউনিয়ন বিএনপি সাধারণ সম্পাদক নাঈমসহ তার সহযোগী হোসেন আলী, মুনসুর আলী, ছোলায়মান ও মো. শরীফ গংদের বিরুদ্ধে গাজীপুরের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যজিস্ট্রেট আদালতে ফৌ:কা;বিধি ৯৮ ধারা ও ফৌ:কা:বিধি: ১৪৫ ধারা মামলা দাযের হয়। যাহা পিটিশন মোকাদ্দমা নং-২২৬/২৫ ও ২১৮/২৫। মামলা দুটো চলমান।
বি.এন.পি করা ভুক্তভোগী হৃদয়ের পরিবারের লোকজন বলেন হঠাৎ নেতা বনে যাওয়া এই নাঈমের পরিবারের ভাই ভাতিজাসহ সবাই আওয়ামী লীগ করে।
এমন কোন অপকর্ম নাই যা সে করে নাই। এলাকার সবাই তার সম্পর্কে অবগত আছেন । ৫ ই আগষ্টের পর প্রচন্ড প্রভাব খাটিয়ে শত শত অপকর্মের হোতা নাঈম ও তার বাহিনীর নানা অত্যাচারে সাধারণ মানুষ ভীষণ ক্ষুব্ধ।
তার ও তার সাঙ্গ পাঙ্গদের দ্বারা বি.এন.পি'র ভাবমূর্তি দারুণ ভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে।
এ ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত নাঈম জানান বিচারের প্রয়োজনে ষ্ট্যাম্পে
দুই পক্ষের স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে।
হুমকির বিষয়ে তিনি বলেন রাগে বশিভূত হয়ে তাকে গালিগালাজ করেছি।
মতামত দিন