• ২০২৬ মার্চ ২৯, রবিবার, ১৪৩২ চৈত্র ১৫
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৩ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানি: ২২ জনের মৃত্যু, ১৮ জনই বাংলাদেশি।

  • প্রকাশিত ০৯:০৩ অপরাহ্ন রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২৬
লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানি: ২২ জনের মৃত্যু, ১৮ জনই বাংলাদেশি।
file
হাসিনুর রহমান হাসু। টাইম বাংলা নিউজ ডেস্ক।

লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে প্রাণহানি: ২২ জনের মৃত্যু, ১৮ জনই বাংলাদেশি।


উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়া থেকে ইউরোপে যাওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ পথে আবারও মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে একটি রাবারের নৌকায় অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৮ জনই বাংলাদেশি বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) গ্রিস এর কোস্ট গার্ড জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত ও উপকূলীয় রক্ষা বাহিনী ফ্রন্টেক্স-এর একটি জাহাজ দেশটির বৃহত্তম দ্বীপ ক্রিট এর কাছ থেকে ২৬ জন অভিবাসীকে জীবিত উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে একজন নারী ও একটি শিশুও রয়েছে।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের বরাতে জানা গেছে, নৌকাটিতে থাকা অনেক যাত্রী দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং একে একে মারা যান। পরে মানব পাচারকারীদের নির্দেশে মৃতদের দেহ সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়।

নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তারা হলেন—সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার রনারচরের মুজিবুর রহমান (৪৫), একই উপজেলার তারাপাশা এলাকার মো. নুরুজ্জামান সর্দার ময়না (৩০) এবং মো. সাহান (২৫)।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি, চারজন দক্ষিণ সুদানের নাগরিক এবং একজন চাদের নাগরিক রয়েছেন।

কোস্ট গার্ড সূত্রে আরও জানা গেছে, নৌকাটি গত ২১ মার্চ পূর্ব লিবিয়া এর তোবরুক বন্দর থেকে গ্রিস এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। টানা ছয় দিন খাবার ও পানীয় ছাড়া সমুদ্রে ভাসতে থাকায় যাত্রীরা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েন। প্রতিকূল আবহাওয়া, খাদ্য ও পানির তীব্র সংকট এবং চরম ক্লান্তির কারণে একে একে ২২ জনের মৃত্যু ঘটে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উন্নত জীবনের আশায় অবৈধভাবে ইউরোপে পাড়ি দিতে গিয়ে অনেক অভিবাসী জীবনের বড় ঝুঁকি নিচ্ছেন। কিন্তু এই পথ অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং প্রায়ই প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে।

:  সতর্কবার্তা:

বেশি আয়ের প্রলোভনে ঝুঁকি নেওয়া কোনোভাবেই সমাধান নয়। নিরাপদ ও বৈধ পথে বিদেশ যাওয়া নিশ্চিত করাই জীবন রক্ষার একমাত্র উপায়।


সর্বশেষ