ইসলামী আদর্শভিত্তিক সমাজ গঠনে সাবেক সাথী-সদস্যদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে
— মাহফুজুর রহমান
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সাথী-সদস্যদের নিয়ে এক হৃদ্যতাপূর্ণ প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি জনাব মাহফুজুর রহমান।
থানা আমীর অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন সোহেল-এর সভাপতিত্বে এবং থানা সেক্রেটারি রাকিবুল ইসলাম-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জনাব গোলাম রব্বানী। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে দারস পেশ করেন হাফেজ ড. আব্দুল জব্বার খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব মাহফুজুর রহমান বলেন,
“ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সাথী-সদস্যরা দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে সততা, দক্ষতা ও নৈতিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। সমাজে ন্যায়, ইনসাফ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“জাতির এই ক্রান্তিকালে ইসলামী আদর্শসম্পন্ন জনশক্তিই পারে দেশকে একটি কল্যাণরাষ্ট্রে রূপান্তর করতে।”
প্রধান আলোচক পরিকল্পনাবিদ সিরাজুল ইসলাম বলেন,
“শিবিরের সাবেক কর্মীদের উচিত নিজেদের আদর্শিক চেতনা ও সাংগঠনিক শিক্ষাকে সমাজের কল্যাণে কাজে লাগানো। ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ইসলামের সৌন্দর্য তুলে ধরে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নৈতিক ও নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“দ্বীনি আন্দোলনের কর্মীদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন থানার কর্মপরিষদ সদস্য রবিউল ইসলাম, শাহাবুল আলম, আমীর হোসেন বাবলু, তারিকুল ইসলাম, সাদ বিন জাফর এবং থানার শূরা সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা ইসলামী আন্দোলনের সাবেক কর্মীদের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার এবং সমাজের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
মতামত দিন