• ২০২৬ Jul ৩১, শুক্রবার, ১৪৩৩ শ্রাবণ ১৬
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৭ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

সবুজায়নে বিরলে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, গ্রামীণ সড়কের দুই ধারে চারা রোপণ

  • প্রকাশিত ০৭:০৭ অপরাহ্ন শুক্রবার, Jul ৩১, ২০২৬
সবুজায়নে বিরলে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, গ্রামীণ সড়কের দুই ধারে চারা রোপণ
Time Bangla news
মোয়াজ্জেম হোসেন - দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি, টাইম বাংলা নিউজ।

সবুজায়নে বিরলে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, গ্রামীণ সড়কের দুই ধারে চারা রোপণ


পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন সম্প্রসারণ এবং গ্রামীণ সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় ব্যতিক্রমী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সরকারি, বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী বিভিন্ন সংগঠনের অংশগ্রহণে কাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে শিবপুর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে কৃষ্ণচূড়া ও জারুল গাছের চারা রোপণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক। কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বিরল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল ইসলাম।

ইউএনও মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, একটি বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব পৃথিবী গড়তে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। কাজিপাড়া থেকে শিবপুর পর্যন্ত সড়কের দুই ধারে রোপণ করা কৃষ্ণচূড়া ও জারুল গাছ বড় হয়ে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করবে, অন্যদিকে এই সড়কের সৌন্দর্যও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।

তিনি আরও বলেন, শুধু চারা রোপণ করেই দায়িত্ব শেষ নয়। চারাগুলো সঠিকভাবে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পরিচর্যা ও তদারকির ব্যবস্থা করা হবে। সরকারি, বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সম্মিলিত অংশগ্রহণ এ উদ্যোগকে আরও সফল করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে স্থানীয় কাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, এনজিও প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। তাদের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবী, পথচারী ও অতিথিদের মাঝে চকলেট, সিঙ্গাড়া ও ঐতিহ্যবাহী জিলাপি বিতরণ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা উপজেলা প্রশাসনের এ পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এমন কর্মসূচি অব্যাহত থাকলে একদিকে যেমন সবুজায়ন বৃদ্ধি পাবে, তেমনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গড়ে উঠবে আরও সুন্দর ও বাসযোগ্য পরিবেশ।

সর্বশেষ