গ্যাস সংকটে বাড়ছে লোডশেডিং, স্বস্তি মিলতে পারে ১০ আগস্টের পর
এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তীব্র গ্যাস সংকট চলছে। এর প্রভাবে শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, আবাসিক এলাকায় রান্নার গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় লোডশেডিংও বেড়েছে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল পুরোপুরি চালু করতে আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। তবে অক্ষত অংশ দ্রুত চালু করার চেষ্টা চলছে। এটি চালু হলে প্রতিদিন প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে, যা সংকট কিছুটা কমাতে সহায়তা করবে।
বর্তমানে দেশের গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও সরবরাহ নেমে এসেছে ২১১ কোটি ঘনফুটের নিচে। ফলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ ও দীর্ঘ সময় গ্যাস না থাকার অভিযোগ করছেন গ্রাহকরা। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় কয়েক হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
এদিকে গ্যাসের দাম বাড়ানোর একটি প্রস্তাব থাকলেও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, বর্তমান সংকটের মধ্যে গ্যাসের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের নেই। সংকট দ্রুত কাটাতে টার্মিনাল মেরামত ও বিকল্প উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মতামত দিন