পর্যটকদের নিরাপত্তায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ
মতিউল ইসলাম (মতি) কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছ টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত সৌন্দর্যের অপরূপা সাগর নন্দিনী কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে চুরি ছিন্তায় পর্যটকদের হয়রানীর বিষয় গুলো শতভাগ মুক্ত করেছেন টুরিস্ট পুলিশ।গত শনিবার
প্রস্তুতি সভার মধ্য দিয় এই তথ্য নিশ্চিত করেন,আপেল মোহাম্মদ কক্সবাজারে পোস্টিং হওয়ার পর পর দেশের উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে,চলমান পরিস্থিতিতি কে বেগ মান করতে। সরকারের ক্লান্তিকালিন সময়ে নিজের অবস্থান থেকে পর্যটকদের সেবা দেওয়ার,যে আন্তরিকতা তা সত্যি প্রশাসনিয়।
তিনি কক্সবাজার আসার পর সমুদ্র সৈকতের অগোছালো যে, কাজগুলো ছিল তা পরিপূর্ণ করতে পেরেছে। এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করেছে ৫ই আগস্টের পূর্বে নষ্ট হওয়া সিসি ক্যামেরা গুলো পুনরায় স্থাপিত করেছেন। দুষ্কৃতিকারীদের গডফাদারদের গ্রেপ্তার করে,আবারো আলোচনার শীর্ষে টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ। অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণ করতে ভিন্ন কলা কৌশল অবলম্বন করে,নিজের মেধা কে কাজে লাগিয়েছেন আপেল মাহমুদ।
টুরিস্ট পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়,বেপরুয়া দুষ্কৃতিকারীদের সামাল দিতে দেশের ক্লান্তিকালিন সময়ে যেই বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন তিনি সত্যিই প্রশংসা দাবিদার । আপেল মাহমুদ কক্সবাজারে আসার পর পর অপরাধীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভোরের কথার অনুসন্ধান বলছে, সমুদ্র সৈকতে অপরাধীদের বেপরোয়া সিন্ডিকেট ছিল। আপেল মোহাম্মদ কক্সবাজার আসার পরপর তা ভেঙ্গে দিয়েছে। বর্তমানে অপরাধীরা আতঙ্কে দিন পার করছেন কেউ কেউ আবার নিজেদের কর্মস্থানে ফিরেন।প্রতিনিয়ত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে আসা ভাড়াটিয়া ছিন্তাই কারীরা কক্সবাজারে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে নজর রাখছেন টুরিস্ট পুলিশ। ক্যাম্পের হেড মাঝিদের অভিহিত করে তাদের লোকেশন সনাক্ত করেছে টুরিস্ট পুলিশ,এফিবিয়েনের
সদস্যদের তথ্য দিয়ে রোহিঙ্গারা যেন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে প্রবেশ করতে না পারে সে ব্যবস্থাও করেছে অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ ।
এতক্ষণ যার কথা বলছিলাম তিনি হলেন কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ। তিনি একজন নিষ্ঠাবান অফিসার হিসেবে।
পর্যটকদের হৃদয়ে অল্প সময় স্থান করে নিয়েছেন । তিনি কক্সবাজার আসার পরপর সাধারণ পর্যটন ব্যবসায়ীদের স্বস্তি পেরেছে। নির্ভয় দিন পার করছেন পর্যটক ও ব্যবসায়ীরা ।
অপরাধীরা সমুদ্র সৈকতের অপচিন্তা বাদ দিয়ে পালাচ্ছেন নিজ গন্তব্য স্থানে । আটক হচ্ছে নতুন নতুন চিন্তাইকারী সদস্যরা।
গত কাল রাতে ঘোড়া চালকের বিরুদ্ধে অভিযোগের পরি প্রেক্ষিতে স অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করেছেন টুরিস্ট পুলিশ।
টাইম বাংলা নিউজের অনুসন্ধানে জানায়ে গেছে,গত কয়েক দিনে আরো কয়েকজন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করেছে।
এই বিষয়ে এডিশনাল ডিআইজি আপেল মোহাম্মদ বলেন, সমুদ্র সৈকতে অপরাধীদের কোন স্থান হবে না। এবং পর্যটন নগরী সমুদ্র সৈকতকে। অপরাধমুক্ত এবং ডেলে সাজানোর কার্যক্র অব্যাহত রয়েছে। এবং বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাজ কি? এমন প্রশ্ন সাধারণ জনতার।ঘোড়া চালদের সামান্য বিষয় নিয়ে,পর্যটকদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। এর চেয়ে আরো অনেক বড় বড় সমস্যার সমাধান দিয়েছে টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত এডিশনাল ডিআইজি আপেল মাহমুদ,সত্যের জয় নিবার্য। গতকাল ১০ ঘণ্টার ভিতরে ঘোড়া চালক কে,গ্রেফতার করে,আবারো নতুন করে আলোচনার শীর্ষে টুরিস্ট পুলিশে অতিরিক্ত এডিশনাল ডিআইজি আপেল মাহমুদ।
মতামত দিন