যে কারণে বন্ধুর হাতে খুন হয়েছেন স্কুল ছাএ তপু আটক ৩
সিলেট নগরীর বাদামবাগিচার ইলাশকান্দি এলাকায় খাসদবীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণির ছাত্র মাহমুদুর রহমান তপু বন্ধুর হাতে ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন সে শাহ এনামুল হকের ছেলে।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে তপুকে ছুরিকাঘাত করা হয় হত্যায় জড়িত অভিযোগে তিন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ তিনজনকে আটকের তথ্য জানিয়েছে আম্বরখানা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শেখ মো. মিজানুর রহমান।
অভিযান চালিয়ে প্রধান জাহিদসহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন- নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন লোহারপাড়া এলাকার আব্দুল মনিরের ছেলে মো. অনিক মিয়া ও মো. বশিরুল ইসলামের ছেলে মো. জুনেদ আহমদ।
তপুর বাবা শাহ এনামুল হক জানান, ঘটনার রাতে তপুকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় জাহিদ ও তার সহযোগীরা তারা এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করে আমি আমার ছেলেকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার ছেলে মারা যায়। আমার ছেলে কিশোর গ্যাংয় সদস্য নয় সে খাসদবীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণির ছাত্র পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ সবচেয়ে ভারী এ ভার বইবার ক্ষমতা আমার নেই।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘তপু ও জাহিদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সিনিয়র-জুনিয়র বিরোধ ছিল। ওই বিরোধ মেটাতে এবং দুই গ্রুপ একসঙ্গে চলবে কি-না এ নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার রাতে তপুর বাড়িতে যায় জাহিদসহ কয়েকজন। সেখানে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এই তর্ক-বিরোধ থেকেই পরে সংঘর্ষের সূত্রপাত এবং শেষ পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।
মতামত দিন