• ২০২৬ Jul ২৭, সোমবার, ১৪৩৩ শ্রাবণ ১২
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৪:০৭ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

বিলাসিতার লেশমাত্র নেই। অনেকের কাজের লোকদের বাসা-বাড়িতেও শেখ হাসিনার শোবার ঘরের চেয়ে ভালো আসবাবপত্র আছে।”

  • প্রকাশিত ০৪:০৭ অপরাহ্ন সোমবার, Jul ২৭, ২০২৬
বিলাসিতার লেশমাত্র নেই। অনেকের কাজের লোকদের বাসা-বাড়িতেও শেখ হাসিনার শোবার ঘরের চেয়ে ভালো আসবাবপত্র আছে।”
সংগৃহীত ছবি
বিশেষ প্রতিনিধি

সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গণভবনের শোবার ঘর ও ব্যবহৃত আসবাবপত্রের ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান আলোচনায় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি।

তার সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণে ক্ষমতার সর্বোচ্চ শিখরে থেকেও ব্যক্তিগত জীবনে শেখ হাসিনার সাদামাটা বা ফকিরি জীবনযাপনের এক বিস্ময়কর চিত্র ফুটে উঠেছে। 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের শেয়ার করা গণভবনের কিছু ছবিকে কেন্দ্র করে এই আলোচনার সূত্রপাত হয়। গোলাম মাওলা রনি তার বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ১৫ লাখ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ এবং দীর্ঘ ১৫ বছরের একছত্র ক্ষমতার যে বয়ান প্রচলিত আছে, তার সঙ্গে গণভবনের শোবার ঘরের এই জরাজীর্ণ আসবাবপত্র একেবারেই বেমানান।

রনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, আসবাবপত্রের মান এতটাই সাধারণ যে অনেক সাধারণ বা কাজের লোকদের বাসাবাড়িতেও এর চেয়ে উন্নত আসবাব দেখা যায়। তার এই পর্যবেক্ষণ শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত বিলাসবহুলহীন মানসিকতার দিকে ইঙ্গিত করে। 

রনির এই বক্তব্যকে অনেক বিশ্লেষক ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। তাদের মতে, বিপুল ক্ষমতার অধিকারী হয়েও শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত পরিসরে অত্যন্ত সাধারণ মানের খাট ও আসবাব ব্যবহার করতেন। এটি তার বিলাসিতাহীন মানসিকতার পরিচায়ক হতে পারে। 

রাষ্ট্রীয় প্রটোকল বা জৌলুসের বাইরে ঘরের অন্দরমহলে তিনি হয়তো সাধারণ জীবনযাপনই পছন্দ করতেন। রনির ফকিরি জীবন শব্দচয়নটি আক্ষরিক অর্থে তার এই অনাড়ম্বর জীবনকেই নির্দেশ করে। গোলাম মাওলা রনির এই স্ট্যাটাসটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়েছে এবং জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। মন্তব্যের ঘরে অনেকেই রনির পর্যবেক্ষণের প্রশংসা করেছেন।

নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা শাসনামলের সমালোচনা থাকলেও একজন শাসকের ব্যক্তিগত যাপিত জীবনের এই সরলতা অবশ্যই আলোচনার দাবি রাখে। 

আবার কেউ কেউ একে রনির স্বভাবসুলভ স্যাটায়ারের অংশ হিসেবে দেখলেও, দৃশ্যমান সরলতার বিষয়টি অস্বীকার করতে পারছেন না।

গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তরের প্রক্রিয়ার মাঝে আসবাবপত্রের এই ছবিগুলো ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে। আর গোলাম মাওলা রনির এই বিশ্লেষণ সেই ইতিহাসে একটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ যোগ করল। 

এটি মনে করিয়ে দেয় যে ক্ষমতার চাকচিক্যের আড়ালে অনেক সম শাসকের ব্যক্তিগত জীবন হতে পারে নিতান্তই সাধারণ, যা রনির ভাষায় ফকিরি জীবনের সঙ্গেই তুলনীয়।

সর্বশেষ