• ২০২৬ ফেব্রুয়ারী ০৮, রবিবার, ১৪৩২ মাঘ ২৬
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৬:০২ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

ড্রাগ ব্যবসা বনাম মানব দেহের কোষ (ডিএনএ, জিন,ক্রোমোজম)

  • প্রকাশিত ০৬:০২ অপরাহ্ন রবিবার, ফেব্রুয়ারী ০৮, ২০২৬
ড্রাগ ব্যবসা বনাম মানব দেহের কোষ (ডিএনএ, জিন,ক্রোমোজম)
রোগের ব্যবসা বনাম রোগী
সাইদুজ্জামান সেলিমঃ জেলা প্রতিনিধি কুমিল্লা

🔴আধুনিক চিকিৎসা  ব্যবসার একটি বড় ড্রাগ সেক্টর হচ্ছে দেহ জিনকে বিধ্বস্ত করা যেমন ক্যামোথেরাপি দিয়ে কোষের ডিএনএ ধ্বংস করার মাধ্যমে কোষকে হত্যা করা!

♥দেহ পরিচালিত হয় জীবন্ত কোষে। কোষ পরিচালিত হয় কোষের মধ্যে থাকা ২৩ জোড়া ক্রমোজম দিয়ে। ক্রমোজম তৈরি হয় জিন (জেনিটিক্যাল কোড) দিয়ে। প্রতিটি জিন তৈরি হয় ডিএনএ দিয়ে। প্রতিটি ডিএনএ নিউক্লিটাইড দিয়ে তৈরি। প্রতিটি নিউক্লিটাইড    তৈরি হতে নিন্মের প্রাকৃতিক জৈব অনু প্রয়োজন হয়:

🍉রিবোস সুগার(৫ কার্বন বিশিষ্ট সুগার)🍉ফসফরিক এসিড

🍉এডেনিন,গুয়ানিন থাইমিন, সাইটোসিন: এগুলো নাইট্রোজেন যৈাগ)

🟢প্রতিটি দেহ কোষের জেনিটিক্যাল কোড ৬ বিলিয়ন নিউক্লিটাইড দিয়ে তৈরি। নিউক্লিটাইডগুলো হাইড্রোজেন বন্ধনে জোড়ায় জোড়ায় থাকে। এডেনিন ↔️সাইটোসিন নিউক্লিটাইড এর জোড়া এবং গুয়ানিন↔️থাইমিন নিউক্লিটাইড এর জোড়া। প্রতিটি দেহ কোষে ৩ বিলিয়ন নিউক্লিটাইড এর জোড়া আছে।

🟢৮ টি নিউক্লিটাইড এর জোড়া একটি জেনিটিক্যাল সংকেত বহন করে। জেনিটিক্যাল কোড বা সংকেতগুলো এক থেকে কয়েক হাজার প্রোটিন তৈরির ফর্মুলা সংরক্ষিত থাকে।

🟢প্রোটিন হচ্ছে প্রাকৃতিক পুষ্টি এমাইনোএসিডের চেইন বা শিকল। প্রতিটি সম্পূর্ণ প্রোটিন তৈরিতে ২০ টি এমাইনোএসিডের দরকার হয়। তিনটি নিউক্লিটাইড এর মাধ্যমে প্রতিটি নির্দিষ্ট  এমাইনোএসিড এর সংকেত সংরক্ষিত থাকে। এমাইনোএসিডের এ সংকেতকে কোডন বলে।

🟢দেহ পরিচালিত হয় কোটি কোটি প্রোটিনের মাধ্যমে। দেহের প্রয়োজনমত সেকেন্ডে কোটি কোটি প্রোটিন তৈরির নির্দেশনা আসে জিন থেকে। এ কোটি কোটি প্রোটিনের একটি প্রোটিন ইন্স্যুলিন, একটি থাইরক্সিন, হিমোগ্লোবিন।

🟢আধুনিক ড্রাগ চিকিৎসা ব্যবসার বড় একটি হস্তক্ষেপ হচ্ছে দেহ জিনের উপর। এ ড্রাগগুলো জিনের প্রোটিন তৈরি ব্যহত করা বা প্রোটিনের নকল বানানো যেমন ইন্স্যুলিন। বা নতুন জিনের কপি তৈরি ব্যহত করা বা জিনটাকেই ধ্বংস করে দেয়। যেমন ক্যান্সারে ব্যবহৃত ক্যামোথেরাপি কোষের ডিএনএ কে ধ্বংসের মাধ্যমে পুরো কোষটিকে মেরে ফেলে।

🟢অথচ চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, সঠিক প্রাকৃতিক পুষ্টি ও জীবনযাপনে দেহ জিনের কোন ক্ষতি হয়না।

স্টেমসেল গবেষক ড. শিভেন্দ্র কর্মকার(PHD USA), উনার কাছে টাইম বাংলা নিউজের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি সাইদুজ্জামান সেলিম কোষের উৎকৃষ্ট ৬টি খাবার এ্যমিনো এসিড, ফ্যাটি এসিড, গ্লুকোজ, ভিটামিন, মিনারেল ও পানি এগুলো উৎকৃষ্ট সাপ্লিমেন্ট সম্পর্কে জানতে চাইলে উনি বলেন, আগামীর চিকিৎসা বিজ্ঞান স্টেমসেল থেরাপি নির্ভর হয়ে উঠবে। কোষের পরিচর্যা সৃষ্টিকর্তা ড্রাগ বা ডাক্তারের হাতে রাখেনি বরং এই সক্ষমতা শুধু মাত্র ন্যাচারের হাতেই রয়েছে। এগুলো আমাদের দৈনন্দিন খাবার থেকেই কোষ গ্রহণ করার কথা ছিল কিন্তু বেজাল খাবার, খাবার তৈরির পদ্ধতি, বেজাল পরিবেশের কারণে আমরা যা খাচ্ছি তা কোষকে আরও দুর্বল করে তুলেছে।  এই সেক্টরে গ্লোবালী সুনাম কুড়িয়েছে সুইজারল্যান্ড মেবেল কোম্পানির (মেবেল বায়োকেমিস্ট্রি - Mibelle Biochemistry) চিকিৎসা বিজ্ঞানী ড. ফ্রেড জুলি (Dr. Fred Zulli) স্টেম সেল প্রযুক্তিতে, বিশেষ করে উদ্ভিজ্জ স্টেম সেল (PhytoCellTec) সাপ্লিমেন্ট গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন, ইতিমধ্যে সুইজারল্যান্ডের এই মেবেল কোম্পানির সাপ্লিমেন্ট গুলো মালোশিয়া কোম্পানি লিভেন গ্লোবাল এর হাত ধরে অলরেডি বাংলাদেশে হাজার হাজার নিরুপায় অসহায় মানুষের আশার আলো জাগিয়ে চলেছে। তবে শুরুতে আমাদের বডিকে ডিটক্সিফাইড করে নেয়া জরুরি।  আমি আশাবাদী শীগ্রই বাংলাদেশের সকল হাসপাতালে স্টেমসেল থেরাপির চর্চা শুরু হবে।

যদি কেও ড. শিভেন্দ্র কর্মকার  এর হেলথ এওয়ার্নেস ফ্রী সেমিনার দেখতে চান ত মালিবাগ চৌধুরী পাড়া সকাল ৯-১২টা প্রতি শুক্রবার ও শনিবার এসে নিচের নাম্বারে কল করুন  ০১৭২১০৭০৮০০.

সর্বশেষ