• ২০২৬ মার্চ ২৯, রবিবার, ১৪৩২ চৈত্র ১৫
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৩ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

ইরানে হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ: লাখো মানুষের অংশগ্রহণ।

  • প্রকাশিত ০৯:০৩ অপরাহ্ন রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২৬
ইরানে হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ: লাখো মানুষের অংশগ্রহণ।
file
হাসিনুর রহমান হাসু। টাইম বাংলা নিউজ ডেস্ক।

ইরানে হামলার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ‘নো কিংস’ বিক্ষোভ: লাখো মানুষের অংশগ্রহণ।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের কথিত যৌথ আগ্রাসনের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্যের হাজারো শহরে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়। আয়োজকদের দাবি, এসব কর্মসূচিতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় গণআন্দোলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

‘নো কিংস’ স্লোগানে আয়োজিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা সাবেক প্রেসিডেন্ট Donald Trump-কে উদ্দেশ্য করে তীব্র সমালোচনা করেন এবং তার নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ইরানে সামরিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী পররাষ্ট্রনীতির বহিঃপ্রকাশ।

সমাবেশগুলোতে বক্তারা বলেন, “এটি পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী প্রভাব বিস্তারের একটি পরিকল্পনা।” তারা আরও দাবি করেন, এ ধরনের সামরিক পদক্ষেপ শুধু আঞ্চলিক সংঘাত বাড়ায় না, বরং সাধারণ মানুষের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়।

বিক্ষোভকারীরা যুদ্ধবিরোধী স্লোগান দেন এবং অবিলম্বে সামরিক উত্তেজনা বন্ধের আহ্বান জানান। বিভিন্ন শহরে মানববন্ধন, মিছিল, সমাবেশ এবং শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়। অনেক জায়গায় প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—“No War on Iran”, “Stop Endless Wars” এবং “Democracy, Not Empire”।

উল্লেখ্য, ‘নো কিংস’ শিরোনামে এটি তৃতীয়বারের মতো যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে সমন্বিত বিক্ষোভ কর্মসূচি আয়োজন করা হলো। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে, যতদিন না তারা তাদের দাবির বাস্তবায়ন দেখতে পান।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বিক্ষোভ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিভাজনের একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব দিন দিন জোরালো হচ্ছে।

সার্বিকভাবে, এই বিক্ষোভ প্রমাণ করে যে আন্তর্জাতিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জনমত ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে এবং সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর জনগণের চাপ বাড়ছে।


সর্বশেষ