• ২০২৬ মে ২০, বুধবার, ১৪৩৩ জ্যৈষ্ঠ ৬
  • সর্বশেষ আপডেট : ১১:০৫ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

সিলেট সিটির মেয়র পদে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে কয়েস লোদী

  • প্রকাশিত ১১:০৫ অপরাহ্ন বুধবার, মে ২০, ২০২৬
সিলেট সিটির মেয়র পদে জনপ্রিয়তায় শীর্ষে কয়েস লোদী
Time bangla
শহীদুর রহমান জুয়েল :

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিচালিত এক সাম্প্রতিক জনমত জরিপে মেয়র পদে জনপ্রিয়তায় সবার শীর্ষে উঠে এসেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশন সাবেক প্যানেল মেয়র ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

মহানগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভোটারদের মতামত এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচালিত এই জরিপের ফলাফলে তার প্রতি সাধারণ মানুষের ব্যাপক সমর্থন লক্ষ্য করা গেছে।


টাইম বাংলা নিউজ এর ১ সপ্তাহ জরিপের ফলাফল যা বলছে :

জরিপে অংশ নেওয়া সিংহভাগ নাগরিক মনে করছেন, নগরীর পরিকল্পিত উন্নয়ন এবং মানবিক নগরী গড়তে কয়েস লোদীর মতো অভিজ্ঞ ও তৃণমূল থেকে উঠে আসা নেতৃত্বের বিকল্প নেই তিনি সিলেট সিটি কর্পোরেশন ৪ নং ওয়ার্ডের ৪ বার নির্বাচিত কাউন্সিল বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার গ্রহণযোগ্যতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে।


সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকদের বক্তব্য :

জরিপে অংশ নেওয়া বন্দরবাজার এলাকার এক ব্যবসায়ী কামাল জানান, “আমরা এমন একজনকে মেয়র হিসেবে দেখতে চাই যিনি সুখে-দুঃখে সবসময় আমাদের পাশে থাকবেন। সেই বিচারে কয়েস লোদী আমাদের প্রথম পছন্দ।”


কয়েস লোদীর অবস্থান :

দীর্ঘদিন ধরে কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করা কয়েস লোদী নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিচ্ছন্নতা এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার আদায়ে বরাবরই সোচ্চার। তার এই ধারাবাহিক কর্মকাণ্ডই তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

নির্বাচনী ডামাডোল শুরু হওয়ার আগেই এই জরিপ ফলাফল সিলেটের রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কয়েস লোদীর এই অগ্রযাত্রা নির্বাচনী মাঠে তাকে কতটা সুবিধাজনক অবস্থানে রাখে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

কয়েস লোদী জানান, সিলেট আমার প্রাণের শহর। এই শহরের মানুষের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও দায়িত্ববোধ থেকেই প্রার্থী হওয়ার চিন্তা এসেছে। আমি বিশ্বাস করি, সিলেটকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য নগরীতে রূপান্তর করতে কার্যকর নেতৃত্ব প্রয়োজন। আমি আশা করি, দল আমাকে বিবেচনায় রাখবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচিত হলে আমার প্রধান অগ্রাধিকার হবে নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন করা। বিশেষ করে নগরের জলাবদ্ধতা নিরসন, সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি একটি ডিজিটাল ও স্বচ্ছ সিটি করপোরেশন গড়ে তুলতে কাজ করব।’

সিলেট শহরের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে জলাবদ্ধতা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণকে উল্লেখ করেন কয়েস লোদী। তিনি বলেন, বর্ষা এলেই নগরের বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়, যা নগরজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করে। এ সমস্যার টেকসই সমাধান জরুরি।তরুণেরাই দেশের ভবিষ্যৎ। আমি তাদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি, উদ্যোক্তা সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা করেছি। তাদের অংশগ্রহণ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়।’

তিনি বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা আমাদের দায়িত্ব। আমি নগরে সবুজায়ন বৃদ্ধি, খাল-নদী পুনরুদ্ধার এবং পার্ক ও উন্মুক্ত স্থান সংরক্ষণে জোর দেব। পাশাপাশি, বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমি সিলেটকে একটি আধুনিক, নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও বিনিয়োগবান্ধব শহর হিসেবে দেখতে চাই, যেখানে নাগরিকেরা গর্ব নিয়ে বসবাস করতে পারবেন।’

কয়েস লোদী বলেন, ‘আমি সিলেটবাসীর সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। নগরবাসী ও দল আমাকে সুযোগ দিলে আমি সততা, দক্ষতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। একটি সুন্দর সিলেট গড়তে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

সর্বশেষ