• ২০২৬ Jul ২৯, বুধবার, ১৪৩৩ শ্রাবণ ১৪
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৭ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

সিলেট কানাইঘাটে চুরি যাওয়া পাথরসহ গ্রেপ্তার ২

  • প্রকাশিত ১০:০৭ অপরাহ্ন বুধবার, Jul ২৯, ২০২৬
সিলেট কানাইঘাটে চুরি যাওয়া পাথরসহ গ্রেপ্তার ২
File
শহিদুর রহমান জুয়েল সিলেট জেলা প্রতিনিধ

সিলেট কানাইঘাটে চুরি যাওয়া পাথরসহ গ্রেপ্তার ২

সিলেট কানাইঘাটের লোভাছড়ায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে কোয়ারিতে উত্তোলিত লুটপাটের ১ কোটি ৫ লাখ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়। 

আর সম্প্রতি সেই পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানে জব্দকৃত পাথর চুরির হিড়িক পড়ে যায়। 

এরই ধারাবাহিকতায় সিলেটের কানাইঘাট থানা পুলিশের অভিযানে অবৈধভাবে উত্তোলিত আনুমানিক ৬০০ ঘনফুট ছোট-বড় পাথরসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় একটি স্টিলবডি নৌকা আটক করা হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে কানাইঘাট থানাধীন ৪ নম্বর সাতবাক ইউনিয়নের লোভারমুখ চরিপাড়া খেয়াঘাট এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। 

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আবু হানিফ (২০) ও আবু জাফর (২২)।

পুলিশ জানায়, সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কানাইঘাট থানা পুলিশের একটি দল কানাইঘাট থানাধীন ৪ নম্বর সাতবাক ইউনিয়নের লোভারমুখ চরিপাড়া খেয়াঘাট এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পাথর বোঝাইকৃত একটি স্টিলবডি নৌকাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করে। এসময় ছোট-বড় পাথরসহ আনুমানিক ৬০০ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত পাথরের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫৪ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল  ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় গ্রেফতারকৃত আসামিরা অবৈধভাবে লোভাছড়া এলাকা থেকে পাথর উত্তোলন করে জকিগঞ্জ উপজেলার আটগ্রাম এলাকায় নিয়ে যাচ্ছিল। এ ঘটনায় কানাইঘাট থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘পাথর চুরি রোধে আমাদের নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আমরা খবর পেলেই যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মার্চ মাসে লোভাছড়া পাথর কোয়ারির লিজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরিবেশ অধিদপ্তর কোয়ারিতে উত্তোলিত ১ কোটি ৫ লাখ ঘনফুট পাথর জব্দ করে। এর মধ্যে গত বছর ৪৪ লাখ ঘনফুট পাথর নিলামের মাধ্যমে পিয়াস এন্টারপ্রাইজের কাছে বিক্রি করা হয়। অবশিষ্ট জব্দকৃত পাথর কোয়ারি এলাকায় মজুদ থাকলেও বর্তমানে সেগুলোই চুরির শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সর্বশেষ