• ২০২৬ Jul ৩০, বৃহস্পতিবার, ১৪৩৩ শ্রাবণ ১৫
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:০৭ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় সিদ্ধান্ত: পাঁচ দেশ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকার তেল আমদানি

  • প্রকাশিত ০২:০৭ অপরাহ্ন বৃহস্পতিবার, Jul ৩০, ২০২৬
জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় সিদ্ধান্ত: পাঁচ দেশ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকার তেল আমদানি
Time Bangla news
মোঃ সেলিম মিয়া বিশেষ প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ

জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় সিদ্ধান্ত: পাঁচ দেশ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকার তেল আমদানি


দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চীন, ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ড থেকে প্রায় ১৫ লাখ ২৫ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) চুক্তির আওতায় ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এসব জ্বালানি তেল কেনা হবে। পুরো আমদানি কার্যক্রমে ব্যয় হবে প্রায় ১৬ হাজার ৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা, যা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) নিজস্ব অর্থায়নে বহন করা হবে।

বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের ওকিউটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইএনওসি, চীনের পেট্রোচায়না ও ইউনিপেক, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি এবং ভারতের আইওসিএলের কাছ থেকে জি-টু-জি ভিত্তিতে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করবে বিপিসি।

আমদানিকৃত জ্বালানির মধ্যে থাকবে ৯ লাখ ১৫ হাজার টন গ্যাস অয়েল, ২ লাখ ৮০ হাজার টন জেট এ-ওয়ান, ২ লাখ টন ফার্নেস অয়েল, ১ লাখ টন গ্যাসোলিন-৯৫ (আনলোডেড) এবং ৩০ হাজার টন মেরিন ফুয়েল। আগামী জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের চাহিদা মেটাতে এসব জ্বালানি দেশে আনা হবে।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, গ্যাস অয়েলের জন্য প্রতি ব্যারেলে ৯.৫০ মার্কিন ডলার, জেট এ-ওয়ানের জন্য ১০.১৫ মার্কিন ডলার এবং গ্যাসোলিন-৯৫-এর জন্য ৮.৪৯ মার্কিন ডলার প্রিমিয়াম নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ফার্নেস অয়েলের জন্য প্রতি টনে ৬৬ মার্কিন ডলার এবং মেরিন ফুয়েলের জন্য প্রতি টনে ৮৫ মার্কিন ডলার প্রিমিয়াম পরিশোধ করবে বিপিসি।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে একই ব্যবস্থায় ১২ লাখ ৪০ হাজার টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ার পূর্বাভাস থাকায় এবার আমদানির পরিমাণ বাড়িয়ে ১৫ লাখ ২৫ হাজার টন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ