ফাঁসিয়া খালী রেঞ্জ নলবিলা বিট কাম-চেক স্টেশনের বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ!
"বেশি বেশি গাছ লাগান এবং পরিবেশ বাঁচান" সেই শ্লোগানের উল্টো চিত্র দেখা গেছে,ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের নলবিলা বিটে।
সুফল প্রকল্পে পূর্বের অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও আলোচনায় এসেছেন,
কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের।
নলবিলা বিট কাম- চেক স্টেশন এর বিট কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহাব নাম।
অভিযোগ আছে, এর নেতৃত্বে
চেক পোস্ট নামে গাছের গাড়ি বাসের গাড়ি এবং ফার্নিচারের গাড়ি আটকিয়ে দৈনিক ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আব্দুল ওয়াহাব এর বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ রয়েছে,টাকার বিনিময়ে পাহাড় কাটা, মাটি ও কাঠ পাচারে সহযোগিতা, মাসিক মাসোহারা গ্রহণ এবং বনভূমি জবরদখলে মদদ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।স্থানীয় একাধিক সূত্র জানা যায়, বনরক্ষার দায়িত্বে থেকেও তিনি বনবিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত।
অভিযোগ রয়েছে, নির্দিষ্ট অঙ্কের বিনিময়ে প্রভাবশালী কাঠ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমঝোতা করে অবৈধভাবে গাছ কাটা ও পাচারের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।
মাসিক চুক্তিভিত্তিক অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে বন উজাড়ের ঘটনা ঘটছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ এলাকায় সম্প্রতি কয়েকটি পাহাড় কাটার ঘটনা নিয়ে পরিবেশবাদী ও স্থানীয় সচেতন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে প্রশাসনিক ‘সহনশীলতা’ দেখানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বনভূমি জবরদখল ও বসতঘর নির্মাণেও নীরব ভূমিকা রাখার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে, উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক শীতল পালের বক্তব্য জন্য ফোন করা হলে, তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এই বিষয়ে,ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা কামরুল হাসানের,বক্তব্যের নেওয়ার জন্য ফোন করা হলে তিনি ও ফোন রিসিভ করেনি।
এই বিষয়ে, বিট কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহাব এর বক্তব্য এর জন্য ফোন করা হলে তিনিও ফোন রিসিভ করেনি।
সচেতন মহলের অভিযোগ, এই বিষয়টি সঠিক ভাবে তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদেরকে। আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন কক্সবাজারের সচেতন মহল।
মতামত দিন