28,সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৬৪ জন এতিমের জন্য জামিয়া মুহাম্মাদিয়া ও এতিমখানা চরভাসানিয়া মাদরাসায় প্রতি মাসে প্রত্যেক এতিমের জন্য ২ হাজার টাকা করে সরকারি ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট আসে,অর্থ্যাৎ প্রত্যেক মাসে ৬৪জন এতিম বাবদ সরকার ৬৪×২০০০= ১২৮,০০০৳(এক লক্ষ আটাশ হাজার )টাকা চরভাসানিয়া মাদরাসাকে দেয়,গত জুন মাসে টোটাল ৬ মাস বাবদ ১২৮০০০×৬=৭৬৮০০০৳ ( সাত লক্ষ আটষট্টি হাজার) টাকা সরকারি অধিদপ্তর থেকে এই মাদরাসা পেয়েছে।প্রত্যেকটা এতিমের পিছনে সরকারের দেওয়া প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা ব্যয় করে তো জামিয়া মুহাম্মাদিয়া ও এতিমখানা?.. তা সরেজমিনে জানার জন্য আজকে ঢাকা প্রেস ক্লাব থেকে সম্মানিত সিনিয়র সাংবাদিকগন মাদরাসা পর্যবেক্ষন করেন।মাদরাসায় প্রিন্সিপ্যাল উপস্থিত না থাকায় এর কোনো উত্তরই আমরা খুঁজে পাইনি।আজকে উপস্থিত মাদরাসার সম্মানিত শিক্ষকগনের কাছে জানতে চাইলে তারা এ বিষয়ে কিছুই জানেনা বলে জানায়,এতিমখানায় প্রিন্সিপ্যালকে ছাড়া অন্য কেও দায়িত্বে নেই এবং এই এতিমখানায় কোনো সহকারী প্রিন্সিপ্যালও নিয়োগে নেই,এতিমখানার সভাপতিও প্রিন্সিপ্যাল মুফতি হাবিবুল্লাহ সাহেব নিজেই।শুধু এটিই নয়, সরকারি গেজেট অনুযায়ী প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের যে নিয়ম রয়েছে,তাও পর্যবেক্ষন করেন সাংবাদিকগন,কিন্তু পুরো মাদরাসা জুড়ে কোথাও জাতীয় পতাকা খুঁজে পাওয়া যায়নি,এছাড়াও তারা ছাত্রদেরকে মাদরাসার পড়ালেখার পাশাপাশি অন্য কোনো কারিগরি শিক্ষা প্রদান করে কিনা?.. তা জানতে চাইলে,এক শিক্ষক জবাব দেন যে,অন্য কোনো কারিগরি শিক্ষা দেওয়া হয় না তবে মাদরাসার বাগান পরিষ্কারের কাজে ছাত্ররা সহযোগীতা করে।ঢাকা থেকে আসা সাংবাদিকদের এ্যাসাইনম্যন্টে এরকম প্রায় ২৬টি প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয় মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। সরেজমিনে অনেক কিছুতেই অনিয়ম খুঁজে পাওয়ায় তার ব্যাখ্যা জানতে চান সাংবাদিকগন,কিন্তু প্রিন্সিপ্যালের সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানা যায় নি এর কারন।.. পরবর্তী সময়ে প্রিন্সিপ্যালের সঙ্গে আবারো যোগাযোগ করে তারা একটি প্রতিবেদন তৈরি করবে বলে জানায়। সবকিছুতে ভুম্রজাল
মতামত দিন