• ২০২৬ জানুয়ারী ১৭, শনিবার, ১৪৩২ মাঘ ৪
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০১ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

সরকারের রাজস্ব আয় ১৮৩৬ কোটি টাকা, দেশের অর্থনীতির যোগান দিচ্ছে পায়রা সমুদ্র বন্দর যেটি ছিল শেখ হাসিনা সরকারের মেগা প্রকল্প

  • প্রকাশিত ০৭:০১ পূর্বাহ্ন শনিবার, জানুয়ারী ১৭, ২০২৬
সরকারের রাজস্ব আয় ১৮৩৬ কোটি টাকা, দেশের অর্থনীতির যোগান দিচ্ছে পায়রা সমুদ্র বন্দর যেটি ছিল শেখ হাসিনা সরকারের মেগা প্রকল্প
সংগৃহীত ছবি
বিশেষ প্রতিনিধি

সরকারের রাজস্ব আয় ১৮৩৬ কোটি টাকা, দেশের অর্থনীতির যোগান দিচ্ছে পায়রা সমুদ্র বন্দর 

এগিয়ে চলার বাংলাদেশ, এই স্লোগান নিয়ে পায়রা বন্দর এখন দেশের অর্থনীতির যোগান দিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক এ যাত্রা শুরু হয়েছে ২০১৬ সালের ১৩ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে । ওই দিন ফরচুন বার্ড নামের মাদার ভেসেল এই বন্দরের ইতিহাসে নাম লিখিয়েছে প্রথম পণ্যবাহী জাহাজ হিসেবে। আর তখন থেকে অর্থনীতির তৃতীয় করিডর পায়রার দ্বার উম্মোচিত হয়। শুরু হয় পণ্য আমদানি এবং খালাশের কার্যক্রম। সেই থেকে সচল রয়েছে অর্থনীতির চাকা।

২০১৬ সাল থেকে এ বছর (২০২৬) ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পায়রা বন্দর থেকে সরকারের মোট রাজস্ব আয় হয়েছে ১৮৩৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮৯ হাজার ৮১১ টাকা ৯৬ পয়সা। এছাড়া লেভী বাবদ বকেয়া রয়েছে আরো ৬৫২ কোটি ৫৮ লাখ ৯ হাজার ৭৯৬ টাকা ৩৮ পয়সা। এই সময়ের মধ্যে সফলভাবে ৫৩৪৬টি জাহাজ পণ্য খালাশ করেছে। যার মধ্যে ৫৪৭টি বিদেশি এবং ৪৭৯৯টি দেশি জাহাজ রয়েছে। এখন পায়রার রাবনাবাদ চ্যানেলে প্রতিনিয়ত মাদার ও লাইটার জাহাজ পণ্য আনা-নেয়ার কাজ করছে। রয়েছে প্রাণচাঞ্চল্য। বর্তমানে পণ্য খালাশের পাশাপাশি রাবনাবাদ চ্যানেলের চারিপাড়ায় প্রথম টার্মিনাল পণ্য খালাশের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। 

এক সময়ের ভাঙ্গনকবলিত রাবনাবাদপাড়ে পায়রা বন্দরের কর্মযজ্ঞের কারণে বিরাজ করছে কোলাহলমুখর পরিবেশ। পরিণত হয়েছে আলোকিত জনপদে। পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল, ছয় লেন সড়ক ও ফোর লেন সেতুর নির্মাণসহ এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৫১৬ কোটি টাকা। এবছরই সড়কপথে পণ্য পরিবহনের লক্ষ্য নিয়ে প্রথম টার্মিনাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর জন্য দিনরাত কাজ করছেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ টার্মিনালে একই সঙ্গে ২০০ মিটারের তিনটি মাদার ভেসেল ভিড়ানোর সক্ষমতা থাকছে। ৬৫০ মিটার দীর্ঘ মূল টার্মিনাল এবং তিন লাখ ২৫ হাজার বর্গমিটার ব্যাকআপইয়ার্ড, ১০হাজার বর্গমিটার সিএফএস, কার পার্কিং সুবিধা থাকছে। বন্দরে পণ্যখালাশে সকল ধরনের অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহারের মধ্য দিয়ে বার্থিং সুবিধা পাবেন আমদানিকারকরা। পায়রা বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আজিজুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পায়রা সমুদ্র বন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সেই থেকে শুরু হওয়া বিস্ময়কর উন্নয়ন কর্মের কারণে এক সময়ের অবহেলিত সাগরপাড়ের এই জনপদের দৃশ্যপট আজ বদলে গেছে। মানুষের ফেলনা, পতিত, বালু মিশ্রিত জমি এখন সোনার খনিতে পরিণত হয়েছে। ফোরলেন সেতু ও সিক্সলেন সড়কের কাজ এবছর সম্পন্ন হলে সড়কপথে পণ্য খালাশের পরিকল্পনা চুড়ান্ত রয়েছে বলে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। 


সর্বশেষ