মেঘনার ‘জলদস্যু বালু লুটেরা রাসেল চেয়ারম্যানের
পতন চায় রায়পুরাবাসী:
প্রধান উপদেষ্টা বরাবর গণঅভিযোগ।
নরসিংদীর রায়পুরায় মেঘনা তীরের বিভীষিকা হিসেবে পরিচিত শ্রীনগর ইউপি চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি ও মন্ত্রীর দেহরক্ষী রিয়াজ মোর্শেদ খান রাসেলের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে চরাঞ্চলবাসী। হত্যাচেষ্টা, বালু দস্যুতা এবং ছাত্র আন্দোলনে নির্বিচারে গুলি চালানোর অভিযোগে এই ‘সন্ত্রাসী’ চেয়ারম্যানের অপসারণ ও বিচার চেয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে গণস্বাক্ষর সংবলিত লিখিত অভিযোগ ও গণস্বাক্ষ্য দিয়েছে এলাকাবাসী ।
অভিযোগের মূলবিন্দু:
মেঘনার ত্রাস ও লুণ্ঠন: বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ছত্রছায়ায় রাজু এমপি ক্ষমতা ব্যবহার করে রাসেল চেয়ারম্যান, এমপির পিএস পারভেজ, যুবলীগ নেতা হারুন, নুরুল ইসলাম গং
সিন্ডিকেট মেঘনা নদীকে নিজস্ব সাম্রাজ্যে পরিণত করেছিল। অবৈধ বালু উত্তোলন এবং নদীপথে নিয়মিত ডাকাতি ও চাঁদাবাজি করে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
রক্তাক্ত ৩৬ জুলাই
: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নরসিংদীর ভেলানগর ও ইটাখোলায় ছাত্রদের ওপর সরাসরি অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি চালানোর নেতৃত্বে ছিলেন এই রাসেল
পারভেজ নুরুল ইসলাম হারুন গং। তাদের নির্দেশে রায়পুরায় ছাত্র জনতার ওপর নারকীয় তান্ডব চালানো হয়।
জুলুম ও ভূমিদস্যুতা:
সাধারণ মানুষের জমি দখল এবং বিরুদ্ধাচরণকারীদের এলাকাছাড়া করে গত এক দশক রায়পুরায় ‘অঘোষিত সম্রাট’ হিসেবে রাজত্ব করেছেন রাসেল বাহিনী ।
রহস্যজনক অবস্থান:
দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা আত্মগোপনে থাকলেও রাসেল গং
এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছেন, যা জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। আওয়ামী লীগকে পূর্ণবাসনের চেষ্টা করছে এই বাহিনী
এলাকাবাসীর দাবি:
এই চিহ্নিত অপরাধীকে দ্রুত গ্রেফতার করে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ফিরিয়ে দিতে তাদেরকে যৌথ বাহিনীর অভিযানে দ্রুত চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করতে হবে এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী
কিস্তি (১)
বিস্তারিত তথ্যপ্রমাণ সহ নরসিংদীর পোস্ট দেখবেন দ্বিতীয় পর্বে
অনুসন্ধান চলছে চোখ রাখুন
মতামত দিন