• ২০২৬ এপ্রিল ২৫, শনিবার, ১৪৩৩ বৈশাখ ১২
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৪ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

কাস্টমস কর্মকর্তা খুন করে হাইওয়েতে ফেলে গেছে , মরদেহ মিলল কুমিল্লার ফুটপাতে

  • প্রকাশিত ১১:০৪ অপরাহ্ন শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬
কাস্টমস কর্মকর্তা খুন করে হাইওয়েতে ফেলে গেছে , মরদেহ মিলল কুমিল্লার ফুটপাতে
কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর ছবি
বিশেষ প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম কাস্টমস ট্রেনিং কেন্দ্রে থেকে প্রশিক্ষণ শেষে কুমিল্লার বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের ৭ ঘণ্টা পর শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল পৌনে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকার একটি হোটেলের পাশের ফুটপাত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুলেট বৈরাগী গত ১১ এপ্রিল সরকারি প্রশিক্ষণের উদ্দেশে চট্টগ্রামে যান। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে প্রশিক্ষণ শেষে তিনি চট্টগ্রামের অলঙ্কার মোড় থেকে বাসে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে পরিবারের সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে কথা হয়। সর্বশেষ রাত ১টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি ফোন করে জানান, কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ চৌরাস্তার মোড়ে পৌঁছেছেন।

এরপর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও তিনি বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা কল দিলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পান। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার কোনো হদিস না পেয়ে শনিবার সকালে বাবা সুশীল বৈরাগী কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। বুলেট বৈরাগী মা বাবার একমাত্র সন্তান ও বিবাহিত একটি ছেলে সন্তান আছে তার।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মোমিন জানান, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ মহাসড়কের আইরিশ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের পাশের ফুটপাত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে দুপুর ১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে  মরদেহটি বুলেট বৈরাগীর বলে শনাক্ত করেন।

ওসির দেওয়া তথ্যমতে, মরদেহে বড় কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও মুখমণ্ডল ফোলা ও কিছুটা রক্তাক্ত ছিল।

কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, নিখোঁজের বিষয়ে পরিবার জিডি করেছিল। পরে মরদেহ উদ্ধারের পর স্বজনরা তা শনাক্ত করেছেন। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সর্বশেষ