• ২০২৬ অগাস্ট ০৮, শনিবার, ১৪৩৩ শ্রাবণ ২৪
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৮ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

স্ত্রীকে ফেলে গোপনে একাধিক বিয়ে, ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

  • প্রকাশিত ০৭:০৮ অপরাহ্ন শনিবার, অগাস্ট ০৮, ২০২৬
স্ত্রীকে ফেলে গোপনে একাধিক বিয়ে, ৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ
(এডিট ai)
টাইম বাংলা ডেস্ক :

ঢাকায় প্রথম স্ত্রীকে ফেলে রেখে গোপনে সিলেটে এসে একাধিক বিয়ে, কষ্টার্জিত জমানো টাকা আত্মসাৎ এবং পরবর্তীতে যোগাযোগ করা হলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে মো. দেলোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।


নিকাহনামা ছবি 

অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন সিলেটের গোলাপগঞ্জের হোনেনাপুর জৈন্তাপুর গোলাপগঞ্জএলাকার বাসিন্দা মো. ইউসুফ আলীর ছেলে।


দেলোয়ার হোসেন ও পারভীন ছবি

​ভুক্তভোগী স্ত্রী পারভীন এক ভিডিও বার্তায় ও লিখিত অভিযোগে জানান, তিনি একজন অসহায়, এতিম ও দরিদ্র পরিবারের সন্তান গার্মেন্টসে চাকরি করে তিনি এবং তার বাবার সম্পত্তি থেকে কিছু টাকা জমিয়েছিলেন।

ঢাকায় অবস্থানকালে দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে তার বিয়ে হয় (২০২০ সালের মে মাসে, ৫০,০০০ টাকা দেনমোহরে) এবং তারা এক সাথে সংসার করেন।

​পরবর্তীতে কৌশলে দেনমোহর ও পারিবারিক খরচের কথা বলে স্ত্রীর কষ্টার্জিত জমানো প্রায় ৫ লাখ টাকা ও বাবার সম্পত্তির অর্থ আত্মসাৎ করে দেলোয়ার আত্মগোপনে চলে যান।

সেই টাকায় ঘর-বাড়ি তৈরি করে তিনি গোপনে সিলেটে এসে আরও একাধিক (একে একে প্রায় ৪টি) বিয়ে করে সংসার শুরু করেন।

​ভুক্তভোগী নারী জানান, বর্তমানে স্বামী তার কোনো খোঁজখবর নেন না, ভরণপোষণ বা খরচের টাকা দেন না।

তিনি অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন।নিজের অধিকার ও পাওনা টাকা ফেরত চাওয়ায় এবং যোগাযোগের চেষ্টা করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে মেরে ফেলার হুমকি ও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি একাধিক নারীর জীবন নষ্ট ও প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

বর্তমানে নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে ভুক্তভোগী পারভীন প্রশাসন, পুলিশ ও মিডিয়ার কাছে সুষ্ঠু বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

​অভিযোগের বিষয়ে জাননো হলে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন প্রথম বিয়ের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, "পারভীন আমার স্ত্রী—এটি সত্য। তিনি সিলেটে আসলে আমার কোনো সমস্যা নেই। তিনি আমার বাসার ঠিকানা জানেন এবং আমার পরিবারের সাথেও তাঁর যোগাযোগ ও কথাবার্তা হয়।"

​এ বিষয়ে জৈন্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ