সিলেট র্যাব ৯ অভিযানে নগরীতে কিশোর রিফাত হত্যায় জুয়েল গ্রেপ্তার
সিলেট দক্ষিণ সুরমার টেকনিক্যাল রোডের একটি ইনডোর মাঠে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর রিফাত আহমেদ (১৫) হত্যার ঘটনার অন্যতম পলাতক আসামি জুয়েল আহমেদকে (১৮) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার লাউর ফতেপুর ইউনিয়নের আহম্মদপুর বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ শনিবার (২২ আগস্ট) র্যাব-৯-এর গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত জুয়েল আহমেদ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাদারপাড় গ্রামের বাসিন্দা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২১ আগস্ট রাত আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটে র্যাব-৯ সদর কোম্পানি, সিলেট এবং সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-এর একটি যৌথ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানাধীন নাটঘর ইউনিয়নের আহাম্মদপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কোতোয়ালি মডেল থানার একটি হত্যা মামলার (মামলা নং ৪৩, তারিখ: ৩০/০৭/২৩ ইং, ধারা-১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩০২/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০) এজাহারনামীয় ০৮ নম্বর পলাতক আসামি জুয়েল আহমেদকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব জানায়, গত ৩০ জুলাই বিকেলে দক্ষিণ সুরমার এডিনা ফুটসাল ইনডোর মাঠে ফুটবল খেলার সময় রিফাত আহমেদের দলের সাথে প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় তৈয়ব আহমেদের তর্কের জেরে একটি মারামারি হয়। ওই সময় রিফাতের দল মাঠ থেকে চলে যেতে চাইলে তাদের বাধা দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে মাঠ থেকে বের হওয়ার পর রিফাতকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়। রিফাতকে বাঁচাতে তার বন্ধুরা এগিয়ে আসলে তাদের ওপরও হামলা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে রিফাতকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় রিফাতের মা এসএমপি কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ নিশ্চিত করেছেন। র্যাব এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানানো হয়।
মতামত দিন