• ২০২৬ সেপ্টেম্বর ১৩, রবিবার, ১৪৩৩ ভাদ্র ২৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

টেকনাফ কাটাতারের বাইরে রোহিঙ্গা আমিনের অবাধ বিচরণ,মাদক ও অপরাধের নেপথ্যে কারা?

  • প্রকাশিত ১০:০৯ পূর্বাহ্ন রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
টেকনাফ কাটাতারের বাইরে রোহিঙ্গা আমিনের অবাধ বিচরণ,মাদক ও অপরাধের  নেপথ্যে কারা?
Time Bangla news
মতিউল ইসলাম,কক্সবাজার

টেকনাফ কাটাতারের বাইরে রোহিঙ্গা আমিনের অবাধ বিচরণ,মাদক ও অপরাধের  নেপথ্যে কারা?


রাত নামলেই যেন বদলে যায় কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রত্নাপালং ইউনিয়নের রুহুল্লার ডেবা এলাকার চিত্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনের স্বাভাবিক ব্যস্ততার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সক্রিয় একটি কথিত মাদকচক্র। আর সেই চক্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে স্থানীয়দের অভিযোগের কেন্দ্রে উঠে এসেছে (রোহিঙ্গা আমিন) নামের এক ব্যক্তির নাম।

স্থানীয়দের দাবি, আমিন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের বাইরে অবস্থান করছেন। অভিযোগ রয়েছে, বাংলাদেশি নাগরিক আলী আকবরের মেয়ে রোজিনাকে বিয়ে করে তিনি রত্নাপালংয়ের রুহুল্লার ডেবা এলাকায় বসতি গড়ে তোলেন। এরপর ধীরে ধীরে স্থানীয় একটি মহলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে,একজন রোহিঙ্গা নাগরিক কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের বাইরে অবস্থান করছেন?  

স্থানীয়দের অভিযোগ। আমিনের বিরুদ্ধে শুধু অবৈধভাবে ক্যাম্পের বাইরে বসবাসের অভিযোগই নয়, তাকে ঘিরে রয়েছে আরও গুরুতর অভিযোগ। মানব পাচার, চুরি, ডাকাতি, এবং প্রকাশ্যে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, অতীতে ইয়াবা ও অপহরণ সংক্রান্ত মামলায় রোহিঙ্গা আমিন কারাগারেও ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, কারাগার থেকে বের হওয়ার পরও তিনি এলাকায় ফিরে এসে আবারও কথিত মাদক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয়দের দাবি, তার পেছনে রয়েছে একটি প্রভাবশালী স্থানীয় সহযোগী মহল, যারা তাকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে আসছে।

আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ হলো। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আমিন বিভিন্ন দোকান ও রাস্তাঘাটে নিজেকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় এজাহার কোম্পানি  পরিচয়ে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে চলাফেরা করেন। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, আমিন একা এই কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন না। তার সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন কথিত মাদক কারবারির যোগাযোগ রয়েছে। কারা তাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে, কারা মাদক সরবরাহ বা লেনদেনে সহযোগিতা করছে এবং কারা তার হয়ে বিভিন্ন ধরনের ‘ম্যানেজমেন্ট’ করছে এসব বিষয়ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তাদের অভিযোগ, স্থানীয় সহযোগিতার কারণেই একজন রোহিঙ্গা নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পের বাইরে অবস্থান করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে পারছেন।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ক্যাম্পের বাইরে চলাচল ও বসবাসের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই নানা উদ্বেগ রয়েছে। এর মধ্যে কোনো রোহিঙ্গা নাগরিকের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ থাকলে তার পরিচয়, অবস্থান ও চলাচল কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে সে প্রশ্নও সামনে এসেছে। অভিযোগ গুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করে রোহিঙ্গা মাদক কারবারি আমিনকে আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি স্থানীয়দের।

সর্বশেষ