*__সাভারে মাদকের ‘নারী চক্র’, ডিবির জালে ৩ কারবারি
*উপশিরোনাম:* পৃথক অভিযানে ১২০ ইয়াবা ও ১ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার; দুজনের বিরুদ্ধে আগের মাদক মামলা ।
সাভারে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযান চালিয়ে তিন নারীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা ও ১২০টি ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সাভারের আমিনবাজার ও কাঞ্চনপুর এলাকায় অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়। শনিবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন ঢাকা জেলা উত্তর ডিবির পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম।
ডিবি সূত্র জানায়, পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় এবং ঢাকা জেলা উত্তর ডিবির ওসি সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের প্রথম ধাপে দুপুর সাড়ে ১টার দিকে আমিনবাজারের বড়দেশী পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় ডিবির একটি দল। এসআই শাহাদাৎ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ওই অভিযানে জুলিয়া আক্তার জুলি (৪২) নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ হাজার টাকা।
পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে সাভারের কাঞ্চনপুর বেদেপল্লীতে অভিযান পরিচালনা করেন এসআই মো. আবদুল মুত্তালিবের নেতৃত্বাধীন ডিবির সদস্যরা। সেখানে হাসি আক্তার (৩৮) নামে এক নারীকে ১২০টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দ ইয়াবার ওজন প্রায় ১২ গ্রাম এবং আনুমানিক মূল্য ৩৬ হাজার টাকা।
এ ছাড়া রাত সাড়ে ৯টার দিকে আমিনবাজারের বড়দেশী পশ্চিমপাড়া এলাকায় আরেকটি অভিযান চালানো হয়। এসআই মতিউর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে মাফিয়া (৪৫) নামে এক নারীকে ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক মূল্য ১২ হাজার টাকা।
গ্রেপ্তার জুলিয়া আক্তার জুলি আমিনবাজার বড়দেশী পশ্চিমপাড়ার শামসু মিয়ার মেয়ে ও আবদুল খালেকের স্ত্রী। মাফিয়া একই এলাকার মুনসুর আলীর স্ত্রী। অন্যদিকে হাসি আক্তার সাভারের কাঞ্চনপুর বেদেপল্লীর সাধু মিয়ার মেয়ে ও সেলিমের স্ত্রী।
ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার তিন নারীর মধ্যে জুলিয়া আক্তার জুলির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আগের দুটি মামলা রয়েছে। হাসি আক্তারের বিরুদ্ধেও একই আইনে একটি মামলা রয়েছে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সাইদুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তথ্য সূত্র: কালের কণ্ঠ (১৩.০৯.২০২৬)
মতামত দিন