• ২০২৬ নভেম্বর ০২, সোমবার, ১৪৩৩ কার্তিক ১৮
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:১১ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসের সন্ধান, মজুত প্রায় ৯৮ বিসিএফ।*

  • প্রকাশিত ০৯:১১ অপরাহ্ন সোমবার, নভেম্বর ০২, ২০২৬
নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসের সন্ধান, মজুত প্রায় ৯৮ বিসিএফ।*
Time Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ।

*নোয়াখালীতে নতুন গ্যাসের সন্ধান, মজুত প্রায় ৯৮ বিসিএফ।* 

দেশের গ্যাসসম্পদে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে সুন্দলপুর সাউথ-১ নামে একটি নতুন অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। কূপটির দুটি স্তরে মোট ৯৭ দশমিক ৬৯ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ) গ্যাসের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। বাজারমূল্যে এই গ্যাসের আনুমানিক দাম ৫ হাজার ৮০৯ কোটি টাকা।

সোমবার (২ নভেম্বর) কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে অবস্থিত অনুসন্ধান কূপটিতে অগ্নিপ্রজ্বালনের মাধ্যমে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

বাপেক্স সূত্র জানায়, সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় কূপটির খননকাজ পরিচালনা করা হয়েছে। ত্রিমাত্রিক সিসমিক জরিপের তথ্য বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়।

গত ৮ জুলাই বাপেক্সের বিজয়-১০ রিগ দিয়ে কূপটির খনন শুরু করা হয়। প্রায় ৩ হাজার ২৮৯ মিটার গভীরতায় খননকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর দুটি পৃথক স্তরে গ্যাসের সন্ধান মেলে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, সেখানে মোট ৯ হাজার ৭৬৯ কোটি ঘনফুট গ্যাসের মজুত রয়েছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কূপটির উৎপাদন সক্ষমতা ও গ্যাসের প্রকৃত বৈশিষ্ট্য যাচাইয়ে আরও পরীক্ষা চালানো হচ্ছে। সবকিছু সন্তোষজনক হলে দৈনিক প্রায় এক কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে। এতে দেশের চলমান গ্যাস সরবরাহে কিছুটা হলেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সুন্দলপুর সাউথ-১ কূপের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ রকিবুল হাসান জানান, কূপটিতে গ্যাস ছাড়াও তেল কিংবা অন্য কোনো পদার্থের উপস্থিতি রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে আগামী ১৫ দিন পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ সময় ড্রিল স্টেম টেস্ট (ডিএসটি) পরীক্ষার মাধ্যমে কূপটির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

বাপেক্সের ড্রিলিং ইনচার্জ রকিবুল হাসানও গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দীর্ঘ খননপ্রক্রিয়া শেষে অগ্নিপ্রজ্বালনের মাধ্যমে কূপটিতে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ায় এটিকে সংস্থাটির অনুসন্ধান কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ