• ২০২৬ নভেম্বর ০৮, রবিবার, ১৪৩৩ কার্তিক ২৪
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

দুর্গম জনপদে চিকিৎসাসেবা পৌঁছাতে তিন জাহাজে হাসপাতাল।*

  • প্রকাশিত ০৯:১১ পূর্বাহ্ন রবিবার, নভেম্বর ০৮, ২০২৬
দুর্গম জনপদে চিকিৎসাসেবা পৌঁছাতে তিন জাহাজে হাসপাতাল।*
Time Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ।

*দুর্গম জনপদে চিকিৎসাসেবা পৌঁছাতে তিন জাহাজে হাসপাতাল।* 


 *উপশিরোনাম:* উপকূল ও দ্বীপাঞ্চলের মানুষের উন্নত চিকিৎসায় তিন যাত্রীবাহী জাহাজে যুক্ত হচ্ছে আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটারসহ আধুনিক হাসপাতাল সুবিধা।

উপকূলীয় ও দুর্গম দ্বীপাঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে তিনটি যাত্রীবাহী জাহাজকে ভাসমান হাসপাতালে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) এমভি মধুমতি, এমভি রূপসা ও এমভি সুগন্ধী জাহাজে যুক্ত করা হবে আধুনিক চিকিৎসাসুবিধা।

এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নদীবেষ্টিত ও বিচ্ছিন্ন জনপদের মানুষ নিজ এলাকায় থেকেই উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। বিশেষ করে জরুরি চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার ও নিবিড় পরিচর্যার জন্য দুর্গম এলাকা থেকে মূল ভূখণ্ডে ছুটে যাওয়ার ভোগান্তি কমবে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সদরঘাটের বাদামতলী বিআইডব্লিউটিসি টার্মিনালে জাহাজ তিনটি পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে উদ্যোগটির প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বলেন, উপকূলীয় ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপাঞ্চলের মানুষের জন্য সময়মতো উন্নত চিকিৎসা পাওয়া দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নেওয়া এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, নৌপথকে কাজে লাগিয়ে মানুষের মৌলিক সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। জাহাজগুলোকে দ্রুত চিকিৎসাসেবার উপযোগী করে তুলতে বিআইডব্লিউটিসি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হাসপাতাল হিসেবে রূপান্তরের পর প্রতিটি জাহাজে আধুনিক অপারেশন থিয়েটার, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), জরুরি বিভাগ, প্যাথলজি পরীক্ষাগার ও বহির্বিভাগ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সংযোজন করা হবে।

উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে স্বাভাবিক সময়ের পাশাপাশি দুর্যোগকালেও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সূত্র: বাসস

সর্বশেষ