রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত হিন্শিদ ক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চারজনকে হত্যার খবরে স্বজনদের আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়েছে এলাকায়। গতকাল রাতে রংপুর নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাছুয়াপাড়ায় দেখা গেছে।
রংপুর মহানগরের কামাল কাছনা মাছুয়াপাড়া গ্রামের তিনতলা ভবন থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত হিন্দু শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও ছেলে–মেয়েসহ ৪ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে তাঁদের লাশের সন্ধান পান এলাকাবাসী ও পুলিশ।বাতাসে খুব দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল ।
সিআইডি ও মহানগর পুলিশ ওই ভবন ঘিরে রেখেছে।
মৃত চারজন হলেন গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী (১৪) ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তী (২৮) ।
রংপুর জেলার সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক আবু হাসান কবির ওই চার লাশ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পুরো ভবনে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁদের কেউ হত্যা করেছে রেপ ও করতে পারে।ভবনের দ্বিতীয় তলায় পুরো পরিবার থাকত।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম নাজমুল কাদের বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, দু-তিন দিন আগে ওই হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
রংপুর জেলার সিআইডির দায়িত্বরত কর্মকর্তা ইনচার্জ সুমিত চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের রাত একটার দিকে বলেন, ‘আপাতত আমরা যা দেখলাম, তাতে মনে হচ্ছে ডাকাতির ঘটনা ও শারীরিক শোষণের ঘটনা ঘটতে পারে, মনে হচ্ছে ৩-৪ দিন আগের ঘটনা। বাসার বৈদ্যুতিক সংযোগ ছিল বিচ্ছিন্ন। টাকাপয়সা যেখানে থাকে, সবকিছু ভেঙে ফেলা হয়েছে। গলায় রশি কিংবা গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’ সম্পত্তির দখলের জন্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের উপর নির্যাতন বা উগ্রবাদী হামলা হতে পারে।
মতামত দিন