• ২০২৬ সেপ্টেম্বর ০১, মঙ্গলবার, ১৪৩৩ ভাদ্র ১৬
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

বরযাত্রীর গাড়ি আটকে জোর করে নববধূকে তুলে নিয়ে গেলেন ছাত্রদলের নেতা

  • প্রকাশিত ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
বরযাত্রীর গাড়ি আটকে জোর করে নববধূকে তুলে নিয়ে গেলেন ছাত্রদলের নেতা
সংগৃহীত ছবি
জেলা প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ জেলায়, হোসেনপুরে বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে বরযাত্রীর গাড়ি আটকে নববধূকে জোর করে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে আতিকুর রহমান নামের এক ছাত্রদলের নেতার বিরুদ্ধে।তুলে নেওয়ার সময় বরযাত্রীর মাইক্রোবাসটিতে ভাঙচুর চালানো হয়। রবিবার রাতে উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের হাজিপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বরপক্ষ হোসেনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অভিযুক্ত আতিকুর রহমান ওরফে মিয়াদ উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের চর হাজিপুর গ্রামের মজিবুরের ছেলে। তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সংগঠনের স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, আতিকুর রহমান ছাত্রদলের সমর্থক, কোনও পদে নেই।

পুলিশ ও থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রবিবার হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের এক তরুণীর সঙ্গে নান্দাইল উপজেলার রাজাবাড়িয়া গ্রামের আক্তার মিয়ার (২৮) বিয়ে হয়। নববধূকে নিয়ে মাইক্রোবাসে করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয় বরপক্ষ। রাত পৌনে ৮টায় হাজিপুর বাজার এলাকায় পৌঁছালে আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন গাড়িটি থামান। তারা মাইক্রোবাসে ভাঙচুর চালিয়ে নববধূ তুলে নিয়ে যান।

ওই ঘটনার পর আতিকুর রহমান তার ফেসবুক আইডিতে লেখেন, ‘জীবনে আর কিছু চাওয়ার নাই।’ এ বিষয়ে জানতে আজ দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আতিকুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

আতিকুর রহমানের ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি আমি শুনেছি। তিনি ছাত্রদলের সমর্থক, তবে দলীয় কোনও পদে না থাকায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।’

হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‌‌‘কনের পরিবারের কাছ থেকে জানা গেছে, আতিকুর দীর্ঘদিন ধরে ওই তরুণীকে উত্ত্যক্ত করতেন। ওই ঘটনায় বরের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা গেছে, তরুণীর সঙ্গে আতিকুরের কথা বার্তার সম্পর্ক ছিল। পারিবারিকভাবে রাজি না হওয়ায় আতিকুর কাজটি করেছেন। তবে তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


সর্বশেষ