প্রকাশ: ১০/০৯/২৬ইং
খুলনা থেকে চট্টগ্রাম যেতে আর ঢাকায় ঢুকে জ্যামে আটকে থাকতে হবে না! মেঘনা নদীর বুকে তৈরি হচ্ছে ৮.০৪ কিলোমিটার দীর্ঘ স্বপ্নের শরীয়তপুর-চাঁদপুর সেতু!
আজ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সেতু ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জাপানের বিখ্যাত কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এই মেগাপ্রকল্পে অর্থায়ন ও কাজ করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার পর জাপানের এই আগ্রহের ফলে প্রায় ১৫,৯৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ের এই মেগা সেতুর কাজ এখন আরও একধাপ এগিয়ে গেল!
কেন এই সেতুটি ৩২ জেলার মানুষের জন্য গেম চেঞ্জার?
✅ দূরত্ব ও সময় সাশ্রয়: খুলনা ও বরিশালের মানুষকে আর ঢাকা ঘুরে চট্টগ্রাম যেতে হবে না। সড়কপথের দূরত্ব কমবে প্রায় ৭০ থেকে ৯০ কিলোমিটার এবং যাতায়াতের সময় সরাসরি ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা সাশ্রয় হবে!
✅ হরিণা ঘাটের ভোগান্তি শেষ: ঘন কুয়াশা বা দুর্যোগে দিনের পর দিন ফেরিঘাটে আটকে থেকে কাঁচামাল ও মাছ পচে যাওয়ার দিন এবার শেষ। বন্ধ হবে ঘাটের কৃত্রিম জটলা ও অতিরিক্ত ভাড়ার চাঁদাবাজি।
✅ ৩২ জেলার মেলবন্ধন: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলা (খুলনা, বরিশাল, যশোর, ফরিদপুর ইত্যাদি) এবং পূর্বাঞ্চলের ১১ জেলা (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, নোয়াখালী ইত্যাদি) সরাসরি যুক্ত হবে।
✅ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি: দেশের প্রধান দুই সমুদ্রবন্দর মোংলা ও চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্যিক করিডোর তৈরি হবে, যা দেশের জিডিপিতে সরাসরি ০.৭৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি যুক্ত করবে!
পদ্মা সেতুর পর এটিই হতে যাচ্ছে দেশের দীর্ঘতম তারের ঝুলন্ত সেতু।
খুলনা ও চট্টগ্রামের যাতায়াতে এই নতুন সেতু কতটা সময় বাঁচাবে, শরীয়তপুর–চাঁদপুর সেতু আগে হওয়া উচিত, নাকি দক্ষিণাঞ্চলের অন্য গুরুত্বপূর্ণ সেতু ও মহাসড়কগুলো আগে নির্মাণ করা উচিত আপনি মনে করেন?
মতামত দিন