*রমজানের বাজার নিয়ন্ত্রণে আমদানিতে ছাড়, ১১ পণ্যের এলসি শর্ত শিথিল।*
*উপশিরোনাম:* ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে নগদ মার্জিন, আমদানিকারকদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ।
আসন্ন রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ কমাতে আমদানির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চাল, গম, চিনি, ভোজ্যতেলসহ ১১ ধরনের পণ্য আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার নগদ মার্জিন নির্ধারণের বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে এলসি খোলার সময় নগদ মার্জিন কত হবে, তা ব্যাংকগুলো গ্রাহকের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক ও লেনদেনের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে পারবে। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোনো মার্জিন হার বাধ্যতামূলক থাকছে না।
রোববার (৮ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে। দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে নির্দেশনাটি পাঠানো হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়। এ সময় বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পণ্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনার আওতায় রয়েছে চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, সয়াবিন ও পাম অয়েল, চিনি, ছোলা, মটর, মসলা এবং খেজুর। এসব পণ্য আমদানিতে এলসি খোলার নগদ মার্জিন ব্যাংকগুলো নিজস্ব বিবেচনায় গ্রাহকভেদে নির্ধারণ করতে পারবে।
একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাজারে এসব পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানিকারকদের এলসি খোলার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে কার্যকর হওয়া এই সুবিধা আগামী ১৫ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে।
মতামত দিন