• ২০২৬ নভেম্বর ০৯, সোমবার, ১৪৩৩ কার্তিক ২৪
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:১১ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

বিশ্ব বিজ্ঞান একাডেমিতে বাংলাদেশের ৭ বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি।

  • প্রকাশিত ০১:১১ পূর্বাহ্ন সোমবার, নভেম্বর ০৯, ২০২৬
বিশ্ব বিজ্ঞান একাডেমিতে বাংলাদেশের ৭ বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি।
Time Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ।

*বিশ্ব বিজ্ঞান একাডেমিতে বাংলাদেশের ৭ বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি।* 


 *উপশিরোনাম:* কামরুন নাহার পেলেন আন্তর্জাতিক পুরস্কার, কাউন্সিলে ফিরদৌসী কাদরী। 

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য এসেছে বড় সুখবর। উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিজ্ঞান ও গবেষণার অগ্রগতিতে কাজ করা মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘দ্য ওয়ার্ল্ড একাডেমি অব সায়েন্সেস’ (টিডব্লিউএএস) ২০২৭ সালের নতুন ফেলো হিসেবে বাংলাদেশের সাত বিজ্ঞানীকে নির্বাচিত করেছে। তাঁদের গবেষণার স্বীকৃতি দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠিত সংস্থাটির বার্ষিক সাধারণ সভায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট ৮৭ জন বিজ্ঞানীকে নতুন ফেলো নির্বাচনের ঘোষণা দেওয়া হয়। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশের সাতজন রয়েছেন। নির্বাচিত বিজ্ঞানীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি একাডেমির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

নির্বাচিত বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ড. মোহাম্মদ আবদুল লতিফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ, বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমদ খান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহেল রহমান এবং অধ্যাপক ড. এ কে এম আখতার হোসেন।

বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের এই স্বীকৃতির পাশাপাশি অধ্যাপক ড. কামরুন নাহার পেয়েছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘টিডব্লিউএএস-ফায়জাহ এম আল-খারাফি পুরস্কার’। পরিবেশ ও কৃষিবিজ্ঞান গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ফলে ফেলো নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জনের দ্বৈত সম্মান পেয়েছেন তিনি।

এ ছাড়া বাংলাদেশের বিশিষ্ট বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. ফিরদৌসী কাদরী আগামী তিন বছরের জন্য টিডব্লিউএএসের নির্বাহী পরিষদের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন।

বাংলাদেশি বিজ্ঞানীদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভূতত্ত্ব, ভূগর্ভস্থ পানির সুরক্ষা, কৃষিবিজ্ঞান, ওষুধবিজ্ঞান, পরিবেশবান্ধব পাটপ্রযুক্তি, কম্পিউটারবিজ্ঞান এবং কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞানে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ গবেষণাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

টিডব্লিউএএস বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিজ্ঞান ও গবেষণার বিকাশে কাজ করা একটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান একাডেমি। এর ফেলো নির্বাচিত হওয়া একজন বিজ্ঞানীর দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা, বৈজ্ঞানিক অবদান ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রভাবের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি।

বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের সভাপতি অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবির এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা নির্বাচিত বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

একসঙ্গে সাতজন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেশের গবেষণা সক্ষমতা ও বৈশ্বিক বিজ্ঞান অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও দৃশ্যমান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সূত্র: বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ও টিডব্লিউএএস।

সর্বশেষ