• ২০২৬ এপ্রিল ২৯, বুধবার, ১৪৩৩ বৈশাখ ১৬
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

তেলের অভাবে গাড়ি রাস্তার মাঝেই থেমে যাচ্ছে, চালক পৌঁছাতে পারছেন না গন্তব্যে।

  • প্রকাশিত ১১:০৪ পূর্বাহ্ন বুধবার, এপ্রিল ২৯, ২০২৬
তেলের অভাবে গাড়ি রাস্তার মাঝেই থেমে যাচ্ছে, চালক পৌঁছাতে পারছেন না গন্তব্যে।
file
হাসিনুর রহমান হাসু। টাইম বাংলা নিউজ ডেস্ক।

ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান যুদ্ধের প্রভাব ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। তার ঢেউ এসে লাগছে বাংলাদেশসহ অনেক দেশের জ্বালানি বাজারেও। জ্বালানি তেলের সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় দেশের গণপরিবহন চালক থেকে শুরু করে প্রাইভেট গাড়ির মালিক—সবাই পড়েছেন অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে।


চাহিদা অনুযায়ী আমদানি ব্যাহত হওয়ায় পেট্রোল পাম্পগুলোর অবস্থাও বেশ সংকটপূর্ণ। একদিকে তেল ডিপো থেকে প্রয়োজনমতো জ্বালানি পাওয়া যাচ্ছে না, অন্যদিকে পাম্পে আসা গাড়িগুলোর চাহিদাও পূরণ করা যাচ্ছে না। যেখানে একটি গাড়ির ৫০ লিটার তেল প্রয়োজন, সেখানে অনেক সময় দেওয়া যাচ্ছে মাত্র ১০ লিটার। কারণ, পাম্পগুলোর নিজেদের সংগ্রহেও পর্যাপ্ত জ্বালানি নেই।


ফলে যেন ধিকিধিকি করে চলছে দেশের গাড়ির চাকা। অনেক চালক বাধ্য হয়ে এক পাম্প থেকে সামান্য তেল নিয়ে কিছু দূর এগিয়ে আবার অন্য পাম্পে গিয়ে তেল তুলছেন—কখনও ৫০০ টাকার, কখনও তারও কম। এমন ঘটনাও ঘটছে, জ্বালানি শেষ হয়ে যাওয়ায় কোনো কোনো গাড়ি রাস্তার মাঝেই থেমে যাচ্ছে, চালক পৌঁছাতে পারছেন না গন্তব্যে।


এই কঠিন পরিস্থিতির মাঝেও সরকারের একটি ইতিবাচক দিক স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জ্বালানি তেলের দাম যাতে কেউ ইচ্ছেমতো বাড়াতে না পারে, সে জন্য কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে। নিয়মিত মনিটরিংয়ের কারণে এই সংকটের সুযোগ নিয়ে কেউ যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বা অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করতে না পারে—সে বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।


তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে সামনের দিনগুলো আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে—এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়তে পারে পরিবহন, বাজারব্যবস্থা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের ওপরও। তাই বিশ্ব পরিস্থিতির দ্রুত অবসানই এখন সবার কামনা।


সর্বশেষ