• ২০২৬ এপ্রিল ০৪, শনিবার, ১৪৩২ চৈত্র ২১
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:০৪ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ফিলিং স্টেশনে আসতে গাড়ি পাঠাতে বললেন ওসি

  • প্রকাশিত ০৫:০৪ অপরাহ্ন শনিবার, এপ্রিল ০৪, ২০২৬
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ফিলিং স্টেশনে আসতে গাড়ি পাঠাতে বললেন ওসি
File
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় তেল পাম্পের ম্যানেজারকে গাড়ি পাঠাতে বলছেন তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ভজনপুর এলাকায় অবস্থিত তেঁতুলিয়া ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটেছে।

ফিলিং স্টেশন সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে তেল বিক্রি কার্যক্রম শুরু করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার তেঁতুলিয়া ফিলিং স্টেশনে উপস্থিত হন। এসময় তেল নিতে গ্রাহকদের ব্যাপক ভিড় জমে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহযোগিতা চেয়ে তেঁতুলিয়া হাইওয়ে থানা ও তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)'র সাথে যোগাযোগ করেন দায়িত্বরত ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার অমিত দেব। অবশেষে পুলিশি সহযোগিতা না পেয়ে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় বেলা ১১টার পরে তেল বিক্রি কার্যক্রম শুরু করা হয়। তবে তেল বিক্রি শুরু হওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর পুলিশ সদস্য স্টেশনে আসেন বলে জানা গেছে।  

এদিকে তেঁতুলিয়া ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার অমিত দেব অভিযোগ করে বলেন, যথা সময়ে ট্যাগ অফিসার উপস্থিত থাকা সত্বেও ভোক্তাদের বিশৃঙ্খলার জন্য তেল বিক্রি শুরু করতে পারিনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য তেঁতুলিয়া হাইওয়ে থানা ও তেঁতুলিয়া মডেল থানায় কল দিলে দুই ওসি একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। পরে তেঁতুলয়া মডেল থানার ওসিকে কল দিলে তিনি থানায় গাড়ি পাঠিয়ে পুলিশ নিয়ে আসতে বলেন পাম্পে। আমাদের এত জনবল নেই যে থানায় গিয়ে পুলিশ নিয়ে আসবো। পরে গ্রাম চৌকিদার নিয়ে ১১টার তেল বিক্রি শুরু করেছি। পুলিশ আসলেও তারা ১১টার পরে আসেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী ও ট্যাগ অফিসার মিঠুন কুমার রায় বলেন, ফুয়েল কার্ড যাদের আছে তারাই মুলত তেল পাচ্ছে। সকাল ৯টা থেকে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে আজকে ফিলিং স্টেশনে একটু দেরিতে পুলিশ পেয়েছি ।

এদিকে থানায় গাড়ি পাঠানো কথা স্বীকার করে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘তিনি গাড়ি নিয়ে বাহিরে ছিলেন, গাড়ি পাঠিয়ে একটু হেল্প করা যায় কিনা বলছিলেন। পরে ম্যানেজার কোনো কিছুই বলেননি। তবে ইউএনও সাহেব ফোন দেওয়ার বেশ কিছুক্ষণ পর হয়তো ১১টার দিকে পুলিশ ফিলিং স্টেশনে গেছেন।  সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটাও কি বলতে হবে একজন আরেকজনের কাছে হেল্প চাইতে পারেনা, আমরা হেল্প করতে যায়না নাকি?

সর্বশেষ