• ২০২৬ অগাস্ট ০২, রবিবার, ১৪৩৩ শ্রাবণ ১৭
  • সর্বশেষ আপডেট : ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

জৈন্তাপুরে মন্দির পরিচালনা কমিটির সংবাদ সম্মেলণ মন্দির রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

  • প্রকাশিত ০১:০৮ পূর্বাহ্ন রবিবার, অগাস্ট ০২, ২০২৬
জৈন্তাপুরে মন্দির পরিচালনা কমিটির সংবাদ সম্মেলণ  মন্দির রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
Time Bangla news
জসীমউদ্দীন ক্রাইম রিপোর্টার গোয়াইনঘাট সিলেট প্রতিনিধি

জৈন্তাপুরে মন্দির পরিচালনা কমিটির সংবাদ সম্মেলণ

মন্দির রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা


জসিম উদ্দিন সিলেট থেকে   ঃ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেব আখড়ার ভূমি দখল, বৈঞ্চবকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন মন্দির পরিচালনা কমিটি। পুরো সনাতন সমাজকে উপেক্ষা করে মিন্দরের জমি দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে স্বার্থলোভী একটি পরিবার। দ্রুত মন্দির চালুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা। এব্যাপারে ১লা আগষ্ট শনিবার বিকাল ৪টায় জৈন্তাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেব আখড়া পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলণের আয়োজন করা হয়।

শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেব আখড়া পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শরদিন্দু দাশ পুরকায়স্থ্য সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন জৈন্তাপুর উপজেলার পূর্বলক্ষী প্রসাদ মৌজা স্থিত ‘‘শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেব’’ এর আখড়া একটি প্রাচীন হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন দেবতার সেবা কাজ সহ যাবতীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ১৯৯৯ সালের শেষ দিকে স্থানীয় জন সাধারন পূনরায় দেবতার সেবা পুজা শুরু করার উদ্যোগ নিলে পার্শ্ববর্র্তী বাড়ির মতি লাল দাস বিভিন্ন মিথ্যা মামলা সৃষ্টি করে আমাদেরকে হয়রানি করতে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত হয়ে একটি মামলা দায়ের করলে আদালত আখড়ার পক্ষে রায় প্রদান করেন। পরবর্তীতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জৈন্তাপুরকে আহবায়ক, স্থানীয় ইউ/পি চেয়্রাম্যানকে সদস্য ৭ সদস্য’র আহবায়ক কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। কমিটি দেবোত্তর সম্পত্তির সম্পর্কে খোজ নিয়ে দেখতে পায় একটি খতিয়ানে আখড়া বাড়ি সহ প্রায় ১৭ বিঘা জায়গা জগন্নাথ দেবের নামে এবং বাকী জায়গা মতি লাল দাস সহ বিভিন্ন ব্যাক্তি ও পূজারী-বৈষ্ণব এর নামে অশুদ্ধ ভাবে রেকর্ড আছে।

মামলা নিষ্পত্তি হলে আমরা মন্দির পূজারীর বাসগৃহ, পানীয় জলের ব্যবস্থা সহ যাবতীয় কাজ শেষ করে বিগত ১৭ জুন হাজারো ভক্তের উপস্থিতিতে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের মন্দির ও বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করি। ঐ অনুষ্ঠানে মতি লাল দাসের ছেলে বকুল দাস সহ তার পরিবারের সকল সদস্য উপস্থিত ছিল। দেবতার সেবা পূজার জন্য পূজারী বৈষ্ণব নিয়োগ দেওয়া হয় এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে দেবতার সেবা পূজার কাজ চলতে থাকে। কিন্তু বিগত ২জুলাই নিজপাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এর সিদ্ধান্ত মোতাবেক দেবতার নামীয় কৃষি জমি চিহ্নিত করতে গিয়ে একটি পরিকল্পিত মারামারির সৃষ্টি করে বকুল দাস। পরবর্তীতে সে  বাদী হয়ে আমি সহ মন্দিরের পাশের বাড়ির লোকদেরকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করে। তার পর শুরু হয় পূজারী বৈষ্ণবকে তাড়িয়ে আখড়া বন্ধ করার চক্রান্ত। যাহাতে নির্বিঘেœ দেবোত্তর সম্পত্তি ভোগ করা যায়। বকুল দাস ও তার পরিবারের সদস্যরা আখড়া বাড়িতে গিয়ে রীতমিত পূজারী বৈষ্ণব কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, মন্দির ছেড়ে চলে না গেলে প্রাণ নাশের হুমকী দেয়। এসব বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করিতেছি এবং যতদ্রুত সম্ভব আমাদের মন্দিরের পূজারী বৈষ্ণবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মন্দির খোলে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানাচ্ছি।

সর্বশেষ