প্রকাশ : ২১-০৯-২৬ইং
১৯৮৮ সালে ঘটা করে উদ্বোধন, অথচ মাত্র কয়েক দিনের মাথায় সিলগালা! তেঁতুলিয়ার মাটির নিচে কি সত্যিই ঘুমিয়ে আছে পেট্রোল-ডিজেলের খনি? ৩৮ বছর ধরে ধামাচাপা দিয়ে রাখা রহস্য এবার প্রকাশ্যে!
আজকের দিনে যখন প্রতি লিটার তেলের জন্য আমাদের পকেট খালি হচ্ছে, তখন ফিরে তাকাতে হয় ১৯৮৮ সালের ১০ এপ্রিল। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহানে তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছিলেন দেশের বহুল আলোচিত তেল খনি। বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল তৎকালীন ৩৫ কোটি টাকা! কিন্তু উদ্বোধনের মাত্র কয়েক দিনের মাথায় হঠাৎ কাজ বন্ধ করে খনির মুখ চিরতরে সিলগালা করে একে ড্রাই হোল বা শুষ্ক কূপ ঘোষণা করা হয়!
কেন এই খনি নিয়ে ৩৮ বছর ধরে এত রহস্য?
✅ আমদানি সিন্ডিকেটের চক্রান্ত: বিশেষজ্ঞরা বরাবরই অভিযোগ করে আসছেন দেশে তেল উঠলে বিদেশ থেকে তেল আমদানির হাজার হাজার কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যেত। তাই আমদানিকারক লবিস্টরা বরাবরই দেশীয় তেল অনুসন্ধানের ঘোর বিরোধী।
✅ সীমান্তের ভূ-রাজনীতি: ভারতের সীমান্তঘেঁষা এই অঞ্চলে খনিটি অবস্থিত হওয়ায় সে সময় কোনো আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক চাপ ছিল কি না, তা নিয়ে আজও মানুষের মনে গভীর সন্দেহ রয়ে গেছে।
✅ ১.৩২ লাখ কোটি টাকার আমদানি বিল: ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসে বাংলাদেশের জ্বালানি তেল আমদানির বিল রেকর্ড ১০.৬৩ বিলিয়ন ডলারে যা প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা ঠেকেছে! যার ৬৪ শতাংশই ডিজেল। অথচ এই তেলের খনিটি অবহেলায় পড়ে আছে।
চার দশক আগের প্রযুক্তির চেয়ে আজকের প্রযুক্তি যোজন যোজন এগিয়ে। সম্প্রতি পঞ্চগড়ের সর্বস্তরের মানুষ রাস্তায় নেমে মানববন্ধন করে দাবি জানিয়েছে—আধুনিক থ্রি-ডি (3D) সিসমিক সার্ভে চালিয়ে এই খনির আসল সত্য বের করতে হবে!
তেঁতুলিয়ার এই তেলের খনিটি কেন বন্ধ করা হয়েছিল বলে আপনি মনে করেন, বিদেশের তেল সিন্ডিকেটের পকেট না ভরে, বাপেক্সকে দিয়ে অতি দ্রুত তেঁতুলিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জাতির সামনে সত্য প্রকাশ করা কি সরকারের দায়িত্ব নয়?
#UpdateNews #trending
#Breaking News
#নিউজ
#Bangladesh
মতামত দিন