• ২০২৬ অক্টোবর ০৬, মঙ্গলবার, ১৪৩৩ আশ্বিন ২১
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:১০ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

*তুরস্কের বাজারে বাংলাদেশের বড় দরজা খুলতে চায় ঢাকা।*

  • প্রকাশিত ০১:১০ অপরাহ্ন মঙ্গলবার, অক্টোবর ০৬, ২০২৬
*তুরস্কের বাজারে বাংলাদেশের বড় দরজা খুলতে চায় ঢাকা।*
Time Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ।

*তুরস্কের বাজারে বাংলাদেশের বড় দরজা খুলতে চায় ঢাকা।* 


 *উপশিরোনাম:* মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ; বাণিজ্য-বিনিয়োগের পাশাপাশি শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার আলোচনা। 

তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পাদনের লক্ষ্যে চলমান আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ফল আমদানি এবং চামড়া শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার ঢাকায় শিল্প মন্ত্রণালয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বৈঠকে বাংলাদেশ-তুরস্কের মধ্যে এফটিএ নিয়ে আলোচনার অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। আসন্ন তুরস্ক সফরে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগ সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহের কথা জানান মন্ত্রী। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।

ফল আমদানির ক্ষেত্রেও দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। তুরস্কের ফল ও ফলজাত পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা এবং যোগাযোগের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। এসব তথ্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে শিল্পকারখানার বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও গুরুত্ব পায়। বিশেষ করে ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্প থেকে উৎপন্ন ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য পরিশোধন, সংরক্ষণ ও নিরাপদে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এ ক্ষেত্রে বিশেষায়িত ট্রিটমেন্ট, স্টোরেজ অ্যান্ড ডিসপোজাল ফ্যাসিলিটি (টিএসডিএফ) স্থাপন ও পরিচালনায় সহযোগিতার সম্ভাবনাও উঠে আসে।

চামড়া শিল্প নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই পক্ষ। তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, পরিবেশগত বিভিন্ন কারণে দেশটিতে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ট্যানারি কার্যক্রম আগের তুলনায় কমেছে। বিপরীতে সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং সংশ্লিষ্ট কাঁচামাল আমদানির প্রবণতা বেড়েছে।

এ ছাড়া কমসেকের আওতায় অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন এবং ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট ও হালাল এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কমসেকের মূল সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী অংশ নেবেন। পরবর্তী আয়োজনগুলোতে বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, তুরস্ক দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সেলর এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ