• ২০২৬ Jul ৩১, শুক্রবার, ১৪৩৩ শ্রাবণ ১৬
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৮:০৭ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

সৌদির নেতৃত্বে নতুন সমুদ্র নিরাপত্তা জোটে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ

  • প্রকাশিত ০৯:০৭ অপরাহ্ন শুক্রবার, Jul ৩১, ২০২৬
সৌদির নেতৃত্বে নতুন সমুদ্র নিরাপত্তা জোটে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ
Time Bangla news
মোঃ সেলিম মিয়া বিশেষ প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ

সৌদির নেতৃত্বে নতুন সমুদ্র নিরাপত্তা জোটে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ

লোহিত সাগর ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথে নিরাপত্তা জোরদার করতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশ নিয়ে নতুন একটি সমুদ্রকেন্দ্রিক সামরিক জোট গঠন করা হয়েছে। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ‘মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’ নামে গঠিত এই জোটের লক্ষ্য হলো লোহিত সাগর, বাব আল-মান্দেব প্রণালি ও এডেন উপসাগরসহ গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে সুরক্ষা দেওয়া।

বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুটগুলো সাম্প্রতিক সময়ে নানা নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা এবং ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর ধারাবাহিক হামলার কারণে আন্তর্জাতিক শিপিং কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে যেকোনো অস্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

রিয়াদে অনুষ্ঠিত জোট গঠনের সম্মেলনে বিশ্বের ৫১টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর মধ্যে ৪৩টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিলেও শেষ পর্যন্ত ১৪টি দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। সদস্য দেশগুলো হলো—সৌদি আরব, বাংলাদেশ, তুরস্ক, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান, মিসর, পাকিস্তান, জিবুতি, সোমালিয়া, ইয়েমেন, সুদান এবং কোমোরাস।

একই অঞ্চলের নিরাপত্তা ইস্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হলেও সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান এই জোটে যোগ দেয়নি। সৌদি সরকার জানিয়েছে, জোটটির সদর দপ্তর রিয়াদে স্থাপন করা হবে এবং ভবিষ্যতে আগ্রহী অন্যান্য দেশের জন্যও এতে যোগদানের সুযোগ থাকবে।

চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই জোট কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে গঠন করা হয়নি; বরং এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক নিরাপত্তা উদ্যোগ। সদস্য দেশগুলো পারস্পরিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ নৌ-মহড়া, সমন্বিত অপারেশন পরিকল্পনা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কাজ করবে।

সূত্র: আল জাজিরা

সর্বশেষ