• ২০২৬ অগাস্ট ০২, রবিবার, ১৪৩৩ শ্রাবণ ১৭
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

কক্সবাজার রুটে বাড়ছে ট্রেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম যাত্রা আরও দ্রুত করার পরিকল্পনা

  • প্রকাশিত ১২:০৮ পূর্বাহ্ন রবিবার, অগাস্ট ০২, ২০২৬
কক্সবাজার রুটে বাড়ছে ট্রেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম যাত্রা আরও দ্রুত করার পরিকল্পনা
Time Bangla news
মোঃ সেলিম মিয়া বিশেষ প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ

কক্সবাজার রুটে বাড়ছে ট্রেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম যাত্রা আরও দ্রুত করার পরিকল্পনা


কক্সবাজারগামী ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথে যাত্রার সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ জানিয়েছেন, যাত্রীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনায় কক্সবাজার রুটে আরও একটি জোড়া ট্রেন চালুর প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার (১ আগস্ট) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ পরিদর্শন শেষে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে মোট চার জোড়া ট্রেন কক্সবাজারে চলাচল করছে। ভবিষ্যতে এ সংখ্যা পাঁচ জোড়ায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে অতিরিক্ত ট্রেনটি ঢাকা-কক্সবাজার নাকি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

তিনি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করতে নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত একটি নতুন কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ কমে যাবে এবং যাত্রার সময় প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট পর্যন্ত সাশ্রয় হতে পারে।

রেলওয়ের জমি ব্যবস্থাপনা নিয়েও সরকারের নতুন অবস্থানের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন করে কোনো জমি ইজারা না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিদ্যমান ইজারাগুলোও পর্যালোচনা করা হবে এবং আইনি জটিলতা না থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে এসব জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

রেলসেবার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সময়মতো ট্রেন পরিচালনা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। কেন ট্রেন নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে বিলম্বে চলাচল করছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে যাত্রীসেবার মান আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে সকালে কক্সবাজারের আইকনিক রেলস্টেশন এবং পরে চকরিয়া স্টেশন পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, কক্সবাজারের আইকনিক স্টেশনটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনা করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে। একই সঙ্গে স্টেশনগুলোর নিরাপত্তা, পরিচালন ব্যবস্থা ও যাত্রীসেবার মানও মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণের সময় কাটা পড়া বিপুল সংখ্যক গাছের বিষয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, ক্ষতিপূরণ হিসেবে রোপণ করা গাছগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যেখানে ঘাটতি রয়েছে, সেখানে সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে নতুন করে বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ ছাড়া রেলওয়ের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি কিংবা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান রেলপথ প্রতিমন্ত্রী।

সর্বশেষ