• ২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৪, বৃহস্পতিবার, ১৪৩৩ আশ্বিন ৯
  • সর্বশেষ আপডেট : ১২:০৯ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

এবারের জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থিতি একাধিক উজ্জ্বল নক্ষত্রে- কেউ ধ্রুবতারা’ও হতে পারে।

  • প্রকাশিত ১২:০৯ অপরাহ্ন বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
এবারের জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থিতি একাধিক উজ্জ্বল নক্ষত্রে- কেউ ধ্রুবতারা’ও হতে পারে।
Time Bangla news
মোঃ মিজানুর রহমান | কুমিল্লা বুরো চিফ প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ


🇧🇩 এবারের জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থিতি একাধিক উজ্জ্বল নক্ষত্রে- কেউ ধ্রুবতারা’ও হতে পারে।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে বাংলাদেশের জন্য গর্ব করার মতো কয়েকটি ঘটনা একসঙ্গে ঘটেছে। সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর খলিলুর রহমান; নিউইয়র্কে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান; আর নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সামাজিক ব্যবসা নিয়ে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। 

ডক্টর খলিলুর রহমানের সভাপতিত্ব বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতার একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। এই দায়িত্বে তিনি 🇧🇩 প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হলেও অধিবেশন পরিচালনায় তাঁকে সব সদস্যরাষ্ট্রের প্রতি নিরপেক্ষ থাকতে হয়। তাই তাঁর অর্জনের মর্যাদা আরও বড়: একজন বাংলাদেশি এমন একটি আসনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যেখানে সমগ্র বিশ্বের কথা শোনা ও আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব রয়েছে। 

মানবাধিকার বিষয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইরিন খান ২৮ আগস্ট ২০২৬ জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তাঁর উপস্থিতি জাতিসংঘে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। 

জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক রাবাব ফাতিমার পথচলাও সমানভাবে গৌরবের। তিনি জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। জুলাই ২০২৬-এ তাঁকে আফগানিস্তানবিষয়ক মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি এবং সেখানে জাতিসংঘ মিশন UNAMA-এর প্রধান নিযুক্ত করা হয়েছে।

২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘সামাজিক ব্যবসা, তরুণ ও প্রযুক্তি’ বিষয়ক একাদশ উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউনূসের অংশগ্রহণ বাংলাদেশকে উচ্চ পর্যায়ে সামনে এনেছে। ক্ষুদ্রঋণ থেকে সামাজিক ব্যবসা পর্যন্ত বাংলাদেশে গড়ে ওঠা ধারণা যে দারিদ্র্য, কর্মসংস্থান ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনাকে প্রভাবিত করতে পারে, জাতিসংঘের এই ব‍্যতিক্রম আয়োজন তারই স্মারক। যদিও গুন্জন চলছে ডক্টর ইউনূস কি পরবর্তী মহাসচিব হবেন ? কারন উনার চাইতে যোগ্য আর কেউ নেই মাঠে-না হলেও কিছু আসে যায় না উনিই বর্তমান ধ্রুবতারার মতো জ্বলছে কয়েকযুগ ধরে- তাই সমালোচিত।

বাংলাদেশের গৌরব কেবল গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে নয়; সেই অবস্থান থেকে বিশ্বকে কী ধারণা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব দেওয়া যায়, সেখানেও। কূটনীতি, মানবাধিকার, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সামাজিক উদ্ভাবনে তাঁদের কাজ নতুন প্রজন্মকে আরও বড় স্বপ্ন দেখা-বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের পরিচিতি হোক দায়িত্বশীল নেতৃত্ব ও মানুষের কল্যাণে কার্যকর উদ্যোগের জন্য🇧🇩

সর্বশেষ