• ২০২৬ নভেম্বর ০৫, বৃহস্পতিবার, ১৪৩৩ কার্তিক ২১
  • সর্বশেষ আপডেট : ০৫:১১ অপরাহ্ন
English
পরিচালনাপর্ষদ
আমাদের সাথে থাকুন আপনি ও ... www.timebanglanews.com

মাস্কের হুঁশিয়ারি, ‘বিরোধে জড়ালে কাউকেই ছাড় দেব না’*

  • প্রকাশিত ০৫:১১ অপরাহ্ন বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৫, ২০২৬
মাস্কের হুঁশিয়ারি, ‘বিরোধে জড়ালে কাউকেই ছাড় দেব না’*
Time Bangla news
ফজলে এলাহী সুমন | সাভার প্রতিনিধি | টাইম বাংলা নিউজ।

*মাস্কের হুঁশিয়ারি, ‘বিরোধে জড়ালে কাউকেই ছাড় দেব না’* 

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পক্ষে বিপুল অর্থ ব্যয় করেও দলটির পরাজয় ঠেকাতে পারেননি বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্ক। নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর এবার তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো কংগ্রেসের তদন্তের মুখে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিরোধীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মাস্ক।

নির্বাচনী প্রচারে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পেছনে প্রায় ৫০ কোটি ডলার ব্যয় করেন মাস্ক। এর আগে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জয়ী করতেও ২৫ কোটি ডলারের বেশি অর্থ খরচ করেছিলেন তিনি। তবে মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ হারায় রিপাবলিকানরা।

নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর মাস্কের মালিকানাধীন টেসলা ও স্পেসএক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, সরকারি চুক্তি এবং ভর্তুকি পাওয়ার বিষয়গুলো তদন্তের আওতায় আনার আলোচনা শুরু করেছেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা।

এ নিয়ে এক্সে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় মাস্ক লেখেন, ‘তলোয়ার দিয়ে যে বাঁচে, তলোয়ারেই তার মৃত্যু হয়।’ যারা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন, তাদের পেছনে থাকা ব্যক্তিদেরও খুঁজে বের করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার ভাষায়, শুধু সামনে থাকা ব্যক্তিদের নয়, নেপথ্যে কলকাঠি নাড়াদেরও মোকাবিলা করবেন।

এদিকে নির্বাচনের পর প্রাক্‌-বাজার লেনদেনে স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ এবং টেসলার শেয়ারের দাম ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, কংগ্রেসের তদন্ত ও সরকারি অনুমোদন প্রক্রিয়ায় জটিলতা তৈরি হলে মাস্কের ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় চাপ পড়তে পারে। বিশেষ করে ডেটা সেন্টার নির্মাণের অনুমোদন বিলম্বিত হলে তার ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ ও স্পেসএক্সের সম্ভাব্য আইপিও পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

মাস্কের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনা অবশ্য নতুন নয়। ইউক্রেনের সামরিক যোগাযোগে স্টারলিংকের ভূমিকা, সরকারি দক্ষতা বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে কর্মী ছাঁটাই এবং তার প্রতিষ্ঠানগুলোর সরকারি চুক্তি ও ভর্তুকি পাওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে আগেও প্রশ্ন তুলেছেন দলটির আইনপ্রণেতারা।

নির্বাচনের পর প্রতিনিধি পরিষদের ওভারসাইট কমিটির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান রবার্ট গার্সিয়াও ট্রাম্প প্রশাসন ও তার ঘনিষ্ঠদের সতর্ক করেছেন। তিনি আইনজীবী নিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন। কমিটির সাক্ষীদের তলব, সরকারি নথি সংগ্রহ এবং সমন জারির ক্ষমতা রয়েছে। ফলে নতুন কংগ্রেসের নজরদারিতে মাস্কের ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যও বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে পারে।

সর্বশেষ